Sign Up To The Free Email Newsletter!

Want to get notified whenever we produce the latest content ? Then subscribe now to start receiving hot updates from today.

Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি. Show all posts

Monday, May 16, 2016

hacking


"who are hacker" "what is hacking" "www.mahedi.info"

হ্যাকার যারা :

হ্যাকার হচ্ছেন একজন ব্যাক্তি যিনি শুধুমাত্র বিভিন্ন মাধ্যম/সিস্টেম এর খুত খুজে বের করে। কিন্তু তিনি এর ক্ষতিসাধন করেন না। একজন হ্যাকার মূলত একজন প্রোগ্রামার যার প্রধান কাজ হচ্ছে অনলাইনে কোন সিস্টেমের খারাপ দিকগুলো খুজে বের করা। তারা প্রোগ্রামার এবং তারা প্রোগ্রাম নতুন নতুন খুত বের করতে ব্যবহার করে।
"hacker forum" "www.mahedi.info"

হ্যাকার ফোরাম :

আপনি একজন হ্যাকার হতে হলে প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকার যারা মূলত ইলিট (এ ব্যাপারে আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছে) তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো শিখে নিতে হবে। আর বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে আলোচনা হয় ফোরামে। নিচে হ্যাকারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের লিংক প্রদান করা হল। ফোরামগুলোতে যোগদিন এবং নিয়মিত পোষ্টগুলো পড়ুন। কোন বিষয় জানতে চাইলে সেখানেই সাহায্য চাইতে পারেন।

হ্যাকিং রিসোর্স :

"www.mahedi.info" "hacking resource"
হ্যাকিং করতে হলে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় কোড, স্ক্রিপ্ট, ডর্ক ইত্যাদির। নিচে কিছু লিংক দেয়া হল যেখান থেকে আপনি অনেক মূল্যবান হ্যাকিং রিসোর্স পেতে পারেন যা আপনাকে হ্যাকার হতে সাহায্য করবে।

হ্যাকার মুভি :

"movies for hacker" "movie for hacker" "www.mahedi.info"
শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন চলে এলাম একেবারে বিনোদনে। হ্যা হ্যা। সারাদিন কাজ করলেই কি আর চলে? একটু বিনোদনও তো করা লাগে, নাকি? নিচে কিছু মুভির নাম দেয়া হল যা একজন হ্যাকারের দেখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে এখনই আরম্ভ করে দিন বিনোদন। আর হ্যা কোনটা কেমন লাগলো সে সম্পর্কে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আজ এ পযর্ন্তই।
  • TRON (1982)
  • THE GIRL WITH THE DRAGON TATTOO (2009)
  • WARGAMES (1983)
  • DIE HARD 4:LIVE FREE OR DIE HARD (2007)
  • SNEAKERS (1992)
  • THE MATRIX (1999)
  • EXISTENZ (1999)
  • THE CONVERSATION (1974)
  • THE SCORE (2001)
  • FOOLPROOF (2003)
  • HACKER (1995)
  • ANTITRUST (2001)
  • PIRATES OFSILICONVALLEY(1999)
  • THE LAWNMOWER MAN (1992)
  • THE CORE (2003)
  • VIRTUOSITY (1995)
  • TAKEDOWN (2000)
  • DEJA VU (2006)
  • ONE POINT O (2004)
  • REVOLUTION OS (2001)
  • THE NET (1995)
  • TRON : LEGACY (2010)
  • THE ITALIAN JOB (2003)
  • DISCLOSURE (1994)
  •  
  • JURASSICPARK(1993)
  • SWORDFISH (2001)
  • THE THIRTEENTH FLOOR (1999)
  • UNTRACEABLE (2008)
  • GAMER (2009)


Tuesday, February 16, 2016

ফরিদপুরে পিক্সেলার

ফরিদপুরে পিক্সেলার

পিক্সেলারের লোগোফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠান পিক্সেলার যাত্রা শুরু করেছে ফরিদপুরে। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি ফরিদপুরে গ্রাফিকস ডিজাইনের ওপর প্রশিক্ষণ দেবে। প্রতিষ্ঠানটির দক্ষ প্রশিক্ষকেরা ফরিদপুরে এ সংক্রান্ত কোর্স পরিচালনা করবে।
পিক্সেলারের প্রধান নির্বাহী হাসানুজ্জামান রুবেল বলেন, ফরিদপুরে দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার তৈরির উদ্যোগ হিসেবে সেখানে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্বল্প খরচে এই প্রশিক্ষণ পাবেন আগ্রহীরা। প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে একটি কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করেছে পিক্সেলার।
পিক্সেলারের ওয়েবসাইট (www.institute.pixelrr.com) ও প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে।

শিখিয়া করিও কাজ

শিখিয়া করিও কাজ

‘আউটসোর্সিং’, ‘ফ্রিল্যান্স’, ‘আয় করুন বৈদেশিক মুদ্রা ঘরে বসেই’ ইত্যাদি শব্দ বা বাক্যের সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। এই বিষয়গুলো নানা সময় নানাভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়ে থাকে। তরুণদের অনেকেই মনে করেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করলেই বুঝি কাঁড়ি কাঁড়ি ডলার আসতে থাকবে। কিন্তু আউটসোর্সিংয়ের কাজে সাফল্যের খবর যেমন জানা যায়, ব্যর্থতার খবর তেমন নয়। প্রকৃতপক্ষে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ে ব্যর্থতার ঘটনা অনেক বেশি। কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন ছাড়া অনলাইনে আয় করা সম্ভব নয়। শুরুর আউটসোর্সিং বিষয়টা সম্পর্কে জানতে হবে। লিখেছেন নাসির খান
ফ্রিল্যান্সার
ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী এমন একজন যিনি নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্ত না থেকেই কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সার এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা পড়ালেখার পাশাপাশিও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অন্যান্য কাজ করতে পারেন।
অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ে এখন অনেকেরই আগ্রহ। এ কাজ শুরুর আগে দক্ষ হতে হবে। মডেল: স্বর্ণ, ছবি: সুমন ইউসুফআউটসোর্সিং
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন তার নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি আউটসোর্সিং। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ আউটসোর্স করা হয়ে থাকে। এই কাজগুলো অপর কোনো প্রতিষ্ঠান করতে পারে অথবা একজন ফ্রিল্যান্সারও কাজটা করে দিতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো আউটসোর্স করার অনেক ধরনের কারণ রয়েছে, দক্ষ লোককে দিয়ে কাজ করানো, কম মজুরির হার, কম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা, সামগ্রিক ব্যয় কমানো, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্যান্য কাজে নিয়োগ করাসহ আরও কারণ রয়েছে।
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত) যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। আবার আউটসোর্সিং মানেই সব সময় যে অনলাইনে কাজ করা এমন নয়। ধরা যাক একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শার্ট তৈরি করা হয় এবং শার্টের বোতামগুলো এই কারখানায় তৈরি করা হয় না। এগুলো সরবরাহ করা হয় অপর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। অর্থাৎ তৈরি পোশাক কারখানাটি বোতাম তৈরির আলাদা ব্যবস্থা না রেখে অন্য কারখানা থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পাওয়ার পদ্ধতি
ইন্টারনেটে বেশ কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীরা এখানে নিয়মিত কাজ করছেন। আবার বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা মার্কেটপ্লেসও রয়েছে। এই বাজারে কাজগুলোর বর্ণনা থাকে এবং যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী তাঁরা কাজটি কত সময়ের মধ্যে এবং কত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করতে পারবেন তা উল্লেখ করে আবেদন করবেন। এরপর আলোচনার মাধ্যমে যিনি কাজটি করাবেন তিনি কোনো একজনকে নির্বাচন করবেন।
অনলাইন মার্কেটগুলোতে কাজের বর্ণনা সাধারণত ইংরেজিতে দেওয়া থাকে। অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা জানেন এবং ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে, পৃথিবীর এমন যে কেউই এই কাজগুলো করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন করলেই কাজ পাওয়া যাবে এমন না, এটি প্রায় সম্পূর্ণভাব নির্ভর করে দক্ষতার ওপর। দক্ষতা ছাড়া কাজের জন্য আবেদন করা হলে হয়তো কখনো যোগাযোগই করা হবে না।
অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ৫০০-এরও বেশি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। যে বিষয় নিয়েই কাজ করা হোক না কেন, ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। কাজের জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া, কাজের বিভিন্ন ধাপে এবং সম্পন্ন করার পর পর্যন্ত কাজদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। যোগাযোগের দুর্বলতা থাকলে কোনো কারণে কাজ পাওয়া গেলেও নিয়মিতভাবে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
কাজ শেখা ও দক্ষতা অর্জন
‘আলাদাভাবে শেখার প্রয়োজন নেই, কাজ করতে করতে শেখা হবে’—ধারণাটি এ ক্ষেত্রে ভুল। কাজ শুরু করার আগে বিষয়টি সম্পর্কে সর্বোচ্চ দক্ষতা না থাকলেও অবশ্যই কাজটি সম্পন্ন করার মতো জ্ঞান থাকতে হবে। কাজের মাধ্যমে শেখা শুরু করলে প্রায় কখনোই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করা যায় না। নিজের আগ্রহ কোন দিকে রয়েছে, সেটা বুঝতে হবে প্রথমে এবং এরপর সেই বিষয়সংশ্লিষ্ট কাজগুলো খুঁজে বের করতে হবে মার্কেট থেকে। কাজের বর্ণনায় লেখা থেকেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কী কী বিষয় শেখা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
কাজ শেখার সব থেকে বড় উৎস হলো ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব এবং এখান থেকেই শেখা শুরু করা যেতে পারে। অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রায় সব বিষয় সম্পর্কেই জানা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা করা হলে ধীরে ধীরে বিষয়টি সম্পর্কে দক্ষ হয়ে ওঠা সম্ভব। পাশাপাশি শেখার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে বা কোনো কোর্স করার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ পাওয়া শুরু হয়ে যাবে এমন নয়। নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। আবার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও, পাশাপাশি নিজের আলাদাভাবে শেখার কাজটি চালিয়ে যেতে হয়।
আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার ফলেই পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা না থাকলে কাজ পাওয়া বা উপার্জনের আশা করাটা ভুল। কত কম সময়ের মধ্যে কত বেশি পরিমাণ উপার্জন সম্ভব, এমন লক্ষ্যের পেছনে দৌড়ালে জয়লাভ করা যাবে না। দক্ষতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে কাজ পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করতে হবে।

গাড়ির বাজারে ঢুকছে স্যামসাং


চালকবিহিন গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে স্যামসাংচালকবিহিন গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে স্যামসাংচালকবিহীন বা স্বয়ংক্রিয় গাড়ি প্রযুক্তির দুনিয়ায় পা রাখতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। ৮ ডিসেম্বর বুধবার গাড়ির যন্ত্রাংশ, স্বয়ংক্রিয় গাড়ির প্রযুক্তি ও বিনোদন সিস্টেম তৈরির জন্য একটি টিম তৈরির ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্যামসাংয়ের ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি ব্যবসার ভাইস চেয়ারম্যান উন ওহ-উন নতুন টিমটির নেতৃত্ব দেবেন।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্মার্টফোনের ব্যবসায় লাভ কমে আসায় নতুন ব্যবসা খুঁজে বের করার চাপে ছিল স্যামসাং। এরপর গাড়ির যন্ত্রপাতি তৈরিতে নামার ঘোষণা এল। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে অটোমোবাইল শিল্পে আগ্রহ দেখানো শুরু করেছে এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেছে।
গত ছয় বছর ধরে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে গুগল। কারপ্লে নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছে অ্যাপল। এত দিন পর্যন্ত এ বিষয়টি নিয়ে চুপচাপ ছিল স্যামসাং। ১৯৯০ সাল থেকে স্যামসাংয়ের গাড়ি তৈরির ব্যবসা ছিল। তবে ১৯৯৭ সালে এশিয়ার আর্থিক সমস্যায় ওই উদ্যোগটি দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে স্যামসাংয়ের এসডিআই বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ও স্যামসাং ইলেকট্রো-মেকানিকস বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ তৈরিতে কাজ করছে।

Saturday, February 13, 2016

প্রিমো জেডএক্স টু মিনি : ৩ জিবি র‍্যামের সাশ্রয়ী ফ্ল্যাগশিপ ফোন

প্রিমো জেডএক্স টু মিনি : ৩ জিবি র‍্যামের সাশ্রয়ী ফ্ল্যাগশিপ ফোন
সাশ্রয়ে উন্নত কনফিগারেশনের স্মার্টফোন দিয়ে দেশের বাজার মাতিয়ে রেখেছে চীন ও তাইওয়ানভিত্তিক হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যেসব দেশীয় প্রতিষ্ঠান শক্তপোক্তভাবে ঠেক্কা দিয়ে থাকে তার মধ্যে ওয়ালটন অন্যতম। বাজারে প্রতিষ্ঠানটির ‘প্রিমো জেডএক্স’ সিরিজের ফোনের গ্রাহকপ্রিয়তা বেশ। আর সেজন্য এই সিরিজের ‘প্রিমো জেডএক্স টু মিনি’ নামের একটি ডিভাইস এনেছে সংশ্লিষ্টরা।
 
উচ্চ প্রযুক্তি ও আকর্ষণীয় ফিচারের নতুন এই ফ্লাগশিপ স্মার্টফোনটি মিলবে ২০ হাজার ৯৯০ টাকায়। গোল্ডেন, লিকুইড সিলভার ও স্লেট গ্রে- এই তিনটি রঙে পাওয়া যাবে প্রিমো জেডএক্স টু মিনি।
 
৬.৯ মিমি পুরুত্ব ও ১৪৭ গ্রাম ওজনের এই স্মার্টফোনের বডি মেটাল ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে। অভিজাত লুক আনতে এর ডিজাইন করা হয়েছে পিওর অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করে সিএনসি (কম্পিউটার নিউমেরিক্যালি কন্ট্রোল) পদ্ধতিতে।
 
অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্টফোনটিতে রয়েছে সুপার অ্যামোলেড প্রযুক্তির ৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের এইচডি (১২৮০ বাই ৭২০ রেজ্যুলেশন) ডিসপ্লে। এতে মাল্টি টাচ সুবিধায় হাতের দশ আঙুল পরিচালনা করা যাবে। ডিসপ্লে সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়েছে তৃতীয় প্রজন্মের কর্নিং গরিলা গ্লাস।
 
থ্রিজি ও টুজি প্রযুক্তির পাশাপাশি স্মার্টফোনটি সর্বাধুনিক ফোরজি এলটিই প্রযুক্তি সমর্থন করে। ডুয়াল সিম স্লট সুবিধার হ্যান্ডসেটটির একটি সিম স্লটে মাইক্রো সিম এবং আরেকটি সিম স্লটে ন্যানো সিম কার্ড বা মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
 
প্রসেসর হিসেবে এতে রয়েছে ৬৪ বিট ১.৩ গিগাহার্জ এআরএম করটেক্স-এ৫৩ অক্টা কোর প্রসেসর, গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মালি টি৭২০, মেমোরির ক্ষেত্রে রয়েছে দ্রুতগতির ৩ জিবি র‍্যাম, ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরও ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত স্টোরেজ ব্যবহারের সুবিধা।
 
‘প্রিমো জেডএক্স টু মিনি’ স্মার্টফোনটিতে রিয়ার ক্যামেরার ক্ষেত্রে রয়েছে অটোফোকাস ও এলইডি ফ্ল্যাশ সুবিধাসহ বিসিআই সেন্সরযুক্ত ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। যার অ্যাপাচার সাইজ এফ২.০। রিয়ার ক্যামেরার ফিচার হিসেবে রয়েছে ফেস ডিটেকশন, ডিজিটাল জুম, সেল্ফ টাইমার, অটো ফোকাস, টাচ ফোকাস, জিও-ট্যাগিং ও টাচ শট। আল্ট্রা পিক্সেল মোড অপশনটির সাহায্যে ৬৫ মেগাপিক্সেল রেজুলেশ্যনের ছবি তোলা যাবে। ফলে দূরের অস্পষ্ট বিষয় স্পষ্টভাবে দেখা যাবে ছবিতে। ভিডিও কল ও সেলফির জন্য রয়েছে বিসিআই সেন্সরের ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।
 
রিয়ার ক্যামেরার সাহায্যে ফুল এইচডি (১৯২০ বাই ১০৮০) ভিডিও ধারণ এবং ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে এইচডি (১২৮০ বাই ৭২০) ভিডিও ধারণ ধরা যাবে। গান শোনা ও মুভি দেখায় রয়েছে ডিটিএস মিউজিক সিস্টেম। ফলে অনেক বেশি জীবন্ত ও পরিস্কার শব্দানুভূতি পাওয়া যাবে।
 
দ্রুত গতিতে ডাটা ট্রান্সফারের জন্য আধুনিক ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট সুবিধা সহ ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪, হট নক, ওয়্যারলেস ডিসপ্লে শেয়ারিং, ওয়াই-ফাই হটস্পট, ওটিএ, ওটিজি সুবিধা রয়েছে।
 
দীর্ঘ সময় ব্যাকআপের জন্য এতে ৩১৫০ এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি রয়েছে। ব্যাটারির চার্জ সাশ্রয়ে পাওয়ার সেভিং মোড ছাড়াও রয়েছে এক্সট্রিম পাওয়ার সেভিং মোড।

Friday, February 12, 2016

স্যাটেলাইটের তোলা ছবি ২০ মিনিটেই পাবে পৃথিবী

স্যাটেলাইটের তোলা ছবি ২০ মিনিটেই পাবে পৃথিবী



.
পৃথিবীর ওপরের কক্ষপথে লেজার রশ্মির সাহায্যে একটি যোগাযোগব্যবস্থা বা নেটওয়ার্ক চালু করেছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)। এর মাধ্যমে স্যাটেলাইটে তোলা ছবি ২০ মিনিটের মধ্যে পৃথিবীতে পাঠানো সম্ভব হবে।
ইএসএ প্রথম দফায় ওই নেটওয়ার্কের আওতায় টেলিযোগাযোগের জন্য কাজাখস্তানের বৈকনুর থেকে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) গতকাল শনিবার উৎক্ষেপণ করেছে।
স্যাটেলাইটটি মহাকাশযানের তোলা পৃথিবীর ছবি ওই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে পাঠাবে। এতে বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে আরও দ্রুত জানা যাবে। ফলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া আরও সহজ হবে।
প্রচলিত ব্যবস্থায় পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইটগুলোর তোলা ছবি ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে।

 কারণ, একটি গ্রহীতা ডিশ অ্যান্টেনার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ই মহাকাশযান তার তোলা ছবিগুলো পাঠাতে পারে। আর প্রতি ৯০ মিনিটে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করার সময় মাত্র ১০ মিনিটের জন্য ওই অ্যান্টেনার দেখা মেলে।
ইএসএ সম্প্রতি পৃথিবী পর্যবেক্ষণের জন্য দুটি স্যাটেলাইট চালু করেছে। এগুলোতে আলোকচিত্র পাঠানোর সরঞ্জাম যুক্ত রয়েছে। এগুলো লেজার নেটওয়ার্কের আওতায় নতুন স্যাটেলাইটটির সাহায্যে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করতে পারবে।
ইএসএর অংশীদার এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস পরীক্ষা করে দেখেছে, স্যাটেলাইটে ছবি তোলার ২০ মিনিটের মধ্যে সেগুলো নতুন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছে পাঠানো সম্ভব হবে। 

ফলে দূষণের নানা ঘটনা বা অবৈধভাবে মাছ ধরা বা সমুদ্রে চোরাচালান ইত্যাদি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে সময় বাঁচবে এবং সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও বাড়বে।
ইএসএর টেলিযোগাযোগ শাখার পরিচালক মাগালি ভেসিয়ের বলেন, উত্তর মেরু এলাকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ভারী বরফপ্রবাহের কারণে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন হয়।

 স্যাটেলাইটের পর্যবেক্ষণের তথ্য-উপাত্ত সেখানে দুই দিন পরে পৌঁছালে বলতে গেলে কোনো কাজেই লাগে না। নতুন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে।
ইএসএর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাইকেল উইটিং বলেন, তাঁরা এ নেটওয়ার্ক গড়ার জন্য ১০ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। এ ব্যবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে ১ দশমিক ৮ গিগাবাইট পর্যন্ত তথ্য-উপাত্ত পাঠানো সম্ভব।

Thursday, February 11, 2016

মঙ্গলগ্রহে আলু চাষের পরীক্ষা


মঙ্গলগ্রহে আলু চাষের পরীক্ষা

‘দ্য মার্সিয়ান’ ছবিতে মঙ্গলগ্রহে আলু চাষ দেখানো হয়েছেপৃথিবীতে মঙ্গলগ্রহের পরিবেশ সৃষ্টি করে আলুর চাষ করার পরিকল্পনা করছেন পেরুর ইন্টারন্যাশনাল পটেটো সেন্টার (সিআইপি) ও যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা। প্রতিকূল পরিবেশে পৃথিবীর লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচাতে আলুর চাষ করা হচ্ছে বলে গবেষকদের দাবি।
মঙ্গলগ্রহে নিয়ন্ত্রিত একটি ঘর তৈরি করে, সেখানে যাতে প্রয়োজনীয় চাষাবাদ করা যায়, এ লক্ষ্যে এই গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষকেরা। এ পরীক্ষার জন্য পেরুর প্যামপাস ডে লা জয়া মরুভূমির মাটি ব্যবহার করছেন তাঁরা। এখানকার মাটি প্রায় মঙ্গলের মতো। এ ছাড়া পরীক্ষাগারে প্রায় মঙ্গলগ্রহের মতো পরিবেশ সৃষ্টি করে আলুর চাষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন গবেষকেরা। এভাবে আলু চাষের ক্ষেত্রে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের আধিক্য উদ্ভিদের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। মঙ্গলের পরিবেশে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কার্বন-ডাইঅক্সাইড রয়েছে।
মঙ্গলগ্রহে আলুর চাষ করার জন্য পরীক্ষা চালাচ্ছেন পেরুর গবেষকেরা।নাসার প্লানেটারি সায়েন্টিস্ট ক্রিস ম্যাককে বলেন, পৃথিবীর বাইরের কোনো গ্রহে চাষাবাদের জন্য এই প্রকল্পের গবেষকদলটি অসাধারণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। মহাকাশে মানুষের যে সভ্যতা গড়ে উঠবে, সেখানে খাবার উৎপাদনের বিষয়টি শিগগিরই বাস্তবতার মুখ দেখবে। শুধু প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠাই নয়, পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার হিসেবেও আলু পরিচিত। ভিটামিন সি, আয়রন, জিংক ও দরকারি পুষ্টিগুণ আছে আলুতে।
সিআইপির যোগাযোগপ্রধান জোয়েল র‍্যাংক বলেন, ২০০ কোটি বছর আগের প্রাণহীন কোনো গ্রহতে চাষাবাদ করে পরিবেশ পরিবর্তন সম্পর্কে জানার চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে? মানুষের জানা দরকার যে, আমরা যদি মঙ্গলগ্রহের মতো প্রতিকূল কোনো পরিবেশে আলুর চাষ করতে পারি, তবে পৃথিবীতে লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচাতে পারব। বর্তমানে পৃথিবীতে ৮৪ কোটি ২০ লাখ মানুষের ওপর দুর্ভিক্ষের প্রভাব পড়তে দেখা যায়। পৃথিবীতে উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার ফলে মাটির অবস্থা খারাপ হচ্ছে। এ ছাড়া কীট-পতঙ্গ ও রোগের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বজুড়ে উৎপাদন কমছে। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

 বিল্যান্সারের নেপথ্য কারিগরেরা l ছবি: প্রজন্ম ডটকম


বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত শ্রমনির্ভর। তবে তথ্যপ্রযুক্তির হাত ধরে পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে মেধানির্ভরতার দিকে। বাংলাদেশেও এই ধারা শুরু হয়েছে। জনপ্রিয় সব অনলাইন কাজের বাজারে (মার্কেটপ্লেস) বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষ দশের মধ্যে।
 বাংলাদেশি মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) কাজ যেখানে সারা বিশ্বে সমাদৃত, সেখানে আমাদের নিজস্ব অনলাইন কাজের বাজার নেই—মূলত এমন চিন্তা থেকেই ২০১৩ সালে ‘আমার ডেস্ক’ নামে যাত্রা শুরু করে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি দেশি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখন এর নাম বিল্যান্সার (www.belancer.com)। এই ওয়েবসাইটে দেওয়া কাজগুলো বাংলাদেশের।
বিল্যান্সারের প্রতিষ্ঠাতা মো. শফিউল আলম বললেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য আমাদের নেই বললেই চলে। সবাই সেবা দিয়ে যাচ্ছে, যা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে বড় করছে। বিল্যান্সার চালু করার পেছনে এটাও বড় কারণ ছিল।’
ফ্রিল্যান্সিংয়ের এই সাইটের ব্যাপারে মানুষের আস্থা বাড়াতে শফিউল আলম কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে। তিনি আমার ডেস্কের বদলে বিল্যান্সার নাম নিয়ে নতুন করে যাত্রা শুরুর কথা বলেন—জানালেন শফিউল।
বাংলাদেশে ১০ লাখের মতো মুক্ত পেশাজীবী অনলাইন কাজের বাজারগুলোতে কাজ করে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগেও কাজের টাকা লেনদেনের সহজ কোনো পথ ছিল না। বিল্যান্সারের সুবিধাটা এখানেই। কাজ করার পর টাকা পাওয়ার ব্যাপারটা সহজ হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক অনলাইন কাজের বাজারগুলোর সব সুবিধাই আছে বিল্যান্সারে, কিছু কাজ অবশ্য এখনো চলছে।
বায়ার এখানে কাজ দেবেন (পোস্ট), ফ্রিল্যান্সাররা সে কাজের জন্য আবেদন বা বিড করবেন। আবেদনের তালিকা থেকে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পোর্টফোলিও দেখে সেরা কর্মী বাছাই করবেন নিয়োগদাতা। কর্মীর প্রোফাইলে আগে করা কাজের তালিকা, তাতে নিয়োগদাতার দেওয়া পর্যালোচনা এবং আয়ের পরিমাণ উল্লেখ থাকে। ফলে সেরা কর্মী নির্বাচন করা সহজ হয়ে যায়।
নতুন কোনো কাজ পোস্ট করার সময় নিয়োগদাতার কাছ থেকে মোট কাজের সমপরিমাণ টাকা তাঁর বিল্যান্সার অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়। কাজ বুঝে পেলে তিনি কর্মীকে তার কাজের জন্য সেখান থেকে টাকা পরিশোধ করে দিতে পারেন।
 এতে কর্মী ও নিয়োগদাতা, উভয়ই আর্থিক প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পান। বিল্যান্সারে আয়ের উৎস দুই পক্ষই। কর্মী ও নিয়োগদাতা উভয়ের কাছ থেকে ৫ শতাংশ কেটে রাখা হয়।
মুক্ত প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় বিল্যান্সারে জালিয়াতির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তা প্রতিরোধে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা-ই জানালেন শফিউল। বিল্যান্সার চালুর পর ওয়েবসাইটটি ছিল ত্রুটিপূর্ণ। আইসিটি বিভাগের সহায়তায় প্রায় ৩৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক ৫৫০টির বেশি ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করে জানায়। ত্রুটিগুলো দূর করে ওয়েবসাইটটির নতুন সংস্করণ চালু করার কথা আছে আজ ১ জুন।
ওয়েবসাইটটির নিরাপত্তা যেন বিশ্বমানের হয়, সেদিকেও রাখা হচ্ছে কড়া নজর বলে জানালে শফিউল। আর অনলাইন সেবাকেন্দ্র তো আছেই। লেনদেনের নিরাপত্তার ব্যাপারে শফিউল বলেন, ‘হাইপারট্যাগ নামে আমাদের প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই মোবাইল লেনদেন নিয়ে কাজ করছে। সে অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগাব।’
শফিউলের জন্ম ময়মনসিংহে, বেড়ে ওঠা সেখানেই। এসএসসির পাট চুকিয়েছেন ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে। এইচএসসি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করে পেশাজীবন শুরু করেন। সেসব দিনের কথা শফিউল নিজেই জানালেন, ‘বাংলায় মোবাইল গেম তৈরি করেছি অনেক আগে। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের সঙ্গে মোবাইল রেমিট্যান্স নিয়ে কাজ করি। বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক লেনদেন নিয়েও আমরা কাজ শুরু করেছি। আমরা আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছিলাম সারা দেশের ডাকঘরগুলোকে আমূল বদলে দিতে, সেটা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।’
বিল্যান্সার তৈরির পেছনে অনেকের মেধা-শ্রম আছে বলে জানালেন শফিউল। তাঁদের মধ্যে মোজাফফ্র চৌধুরী, শামসুল আরেফিন, শেকড় আহমেদ, আশিক আহমেদ, আজিজুর রহমান, রোহান রেজা, রহিম এম ইরতেজা, আনোয়ার হোসাইন, অনিন্দ্য আহমেদ, নাজমুস সাকিব, আসিব চৌধুরী, আশরাফুল আলম ও জিয়াউর রহমান উল্লেখযোগ্য। গত ১ মে নতুন পরীক্ষামূলক ওয়েবসাইট নিয়ে বিল্যান্সারের যাত্রা শুরু। এরই মধ্যে ১৫০টি কাজ পোস্ট হয়েছে। যেগুলোর আর্থিক মূল্যমান ৩০ লাখ টাকা। দিন দিন এই সাইটে বাড়ছে নতুন ফ্রিল্যান্সার ও কাজের সংখ্যা।
বিল্যান্সার যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে www.belancer.com ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে নিতে হবে। নিবন্ধনের পর হবে আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট। এরপর কাজ পোস্ট করা বা কাজের জন্য আবেদন করা যাবে এক অ্যাকাউন্ট দিয়েই। কাজে আবেদনের জন্য ‘ব্রাউজ ওয়ার্ক’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটটিতে সব কাজের তালিকা দেখাবে। আর নির্দিষ্ট কাজের জন্য দক্ষ ফ্রিল্যান্সার পাওয়া যাবে ‘ফাইন্ড ফ্রিল্যান্সার’ অংশে।
নতুন কাজ পোস্ট করতে লগ-ইন করে পোস্ট প্রোজেক্ট-এ ক্লিক করতে হবে। ফ্রিল্যান্সারের প্রোফাইলে আগে করা কাজের তালিকা, আগের নিয়োগদাতার দেওয়া পর্যালোচনা এবং পোর্টফোলিও দেখাবে, যা দেখে ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য যোগাযোগ করতে পারবেন ‘সাপোর্ট’ অংশে। সরাসরি যোগাযোগ (লাইভ চ্যাট) যেমন করা যাবে, তেমনই নিজের অভিযোগ জানিয়ে রাখার (টিকিট) সুযোগও আছে।

৪০০ দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করেছে কোডারসট্রাস্ট


৪০০ দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করেছে কোডারসট্রাস্ট


কোডারসট্রাস্ট সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন-কায়ো ফেবিগকোডারসট্রাস্ট সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন-কায়ো ফেবিগবাংলাদেশে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছে কোডারসট্রাস্ট। এই সময়ের মধ্যে কোডারসট্রাস্ট ৪০০ জনেরও বেশি দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করেছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন-কায়ো ফেবিগ। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য আগামী তিন বছরের মধ্যে আরও এক লাখ দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা। সম্প্রতি প্রথম আলোর কার্যালয়ে এসে কোডারসট্রাস্টের কার্যকলাপ সম্পর্কে জানান ফেবিগ।
ফেবিগ কোডারসট্রাস্ট সম্পর্কে বলেন, কোডারসট্রাস্ট মূলত শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অনেক ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী শিক্ষার্থী আছেন, যাঁরা প্রোগ্রামিং দক্ষতাকে উন্নত করতে চান, তাঁদের জন্য ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠান কোডারসট্রাস্ট। এই সাইটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা তাঁদের অনলাইন কাজ বিক্রি করতে পারবেন। এখান থেকে শিখতেও পারবেন। এ জন্য খরচ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। পরে কাজের সুযোগও তৈরি করে দেবে। যখন কোডারসট্রাস্ট ব্যবহারকারী আয় করবেন, তখন এই ঋণ শোধ করতে পারবেন।
ফেবিগ বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, গত এক বছরে দেশে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করেছেন তাঁরা। শিক্ষার্থীদের কোড বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে দক্ষ প্রশিক্ষক দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ফেবিগ বলেন, বাংলাদেশে ‘আওয়ার অব কোড’ প্রোগ্রামটি চালু করবে কোডারট্রাস্ট। এ প্রোগ্রামটি হবে সবার জন্য উন্মুক্ত। সবাইকে কোড শিখতে উৎসাহ দিতে এ কর্মসূচি চালু করবে কোডারসট্রাস্ট। বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা ও অনলাইন চাকরির বাজারের পরিচয় ঘটিয়ে জীবনযাত্রার মানে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। কোডারসট্রাস্টের সহযোগী হিসেবে রয়েছে মাইক্রোসফট, ব্যাংক এশিয়া ও ব্র্যাক।
গত এক দশকে ফ্রিল্যান্সিং জগতের বড় ধরনের অগ্রগতি বিবেচনায় ফেবিগ বলেন, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ফ্রিল্যান্সিং প্রতিভাধরদের মানের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করছে। কোডারসট্রাস্ট মনে করে বয়স, লিঙ্গ বা আর্থসামাজিক ভেদাভেদ ভুলে প্রতিটি বাংলাদেশির অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ আছে। তিন মাসেরও কম সময়ে নিজের ইচ্ছাশক্তি আর দৃড়তা দিয়ে কোড শেখা যায়। বর্তমানে চাকরির বাজারের দিকে তাকালে বোঝা যাবে, কোডিং জানা লোক ঘরে বসেও অনেক আয় করতে পারেন। ইতিমধ্যে কোডারট্রাস্ট থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া দক্ষ ফ্রিল্যান্সাররা আয় করতে শুরু করেছেন।’
কোডারট্রাস্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানার লিংক (http://signup. coderstrust. com/)

অনলাইনে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল

ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া-নেওয়ার ওয়েবসাইট (অনলাইন মার্কেটপ্লেস)। মুক্ত পেশাজীবীরা (ফ্রিল্যান্সার) এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে থাকেন। কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজ পাওয়াটা হয় সহজ।
  • কেউ কেউ আছেন, যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ১০০টা আবেদন করেও পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম অর্থে (ডলার) কাজটি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার ওপর।
  • যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না, তাদের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড হতে হয়।
  • কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। তবে আবেদন করার সময় কাভার লেটারটি এমনভাবে লিখবেন, যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি কাজটির বর্ণনা পড়েছেন এবং তা করতে পারবেন।
  • আপনি যত বেশি মার্কেটপ্লেসে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কারণ, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো মার্কেটপ্লেসে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি তার জবাব দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি আন্তরিক।
  • অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন কাজ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব কাজে কোনো কনট্রাক্টরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো।
  • যেসব কাজে শর্ত দেওয়া রয়েছে, আর সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন, তবে সেসব কাজে আবেদন না করাই ভালো। যেমন Feedback Score: At least 4.00 এবং oDesk Hours: At least 100 hour।
  • যাঁরা ওডেস্কে দু-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি ডলার দাম ধরে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে কাজের জন্য আবেদন করবেন, তার নিচে দেখুন বায়ারের আগের কাজগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন, বায়ার তার আগের কাজগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ দিয়েছিল, তবে বেশি ডলার হারে আবেদন করতে পারেন।

নতুন ল্যাপটপ


নতুন ল্যাপটপ

          

নতুন ল্যাপটপ

.
Laptop
.এইচপি প্যাভিলিয়ন সিরিজের ১৫-একে০২১টিএক্স মডেলের গেমিং ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে রায়ানস কম্পিউটার্সে। এতে থাকছে ৩.৫ গিগাহার্টজ পর্যন্ত গতির ষষ্ঠ প্রজন্মের কোর আই সেভেন প্রসেসর, ৮ গিগাবাইট র্যাম, ২ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক, ৪ গিগাবাইট গ্রাফিকস কার্ড এবং ১৫.৬ ইঞ্চি পর্দা।
এর কি-বোর্ড অন্ধকারেও দেখা যাবে। একবার চার্জ দিলে একটানা চলবে সাড়ে চার ঘণ্টা পর্যন্ত। এর দাম ৮৩ হাজার ৭০০ টাকা।