Sign Up To The Free Email Newsletter!

Want to get notified whenever we produce the latest content ? Then subscribe now to start receiving hot updates from today.

Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts
Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts

Monday, May 16, 2016

hacking


"who are hacker" "what is hacking" "www.mahedi.info"

হ্যাকার যারা :

হ্যাকার হচ্ছেন একজন ব্যাক্তি যিনি শুধুমাত্র বিভিন্ন মাধ্যম/সিস্টেম এর খুত খুজে বের করে। কিন্তু তিনি এর ক্ষতিসাধন করেন না। একজন হ্যাকার মূলত একজন প্রোগ্রামার যার প্রধান কাজ হচ্ছে অনলাইনে কোন সিস্টেমের খারাপ দিকগুলো খুজে বের করা। তারা প্রোগ্রামার এবং তারা প্রোগ্রাম নতুন নতুন খুত বের করতে ব্যবহার করে।
"hacker forum" "www.mahedi.info"

হ্যাকার ফোরাম :

আপনি একজন হ্যাকার হতে হলে প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকার যারা মূলত ইলিট (এ ব্যাপারে আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছে) তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো শিখে নিতে হবে। আর বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে আলোচনা হয় ফোরামে। নিচে হ্যাকারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের লিংক প্রদান করা হল। ফোরামগুলোতে যোগদিন এবং নিয়মিত পোষ্টগুলো পড়ুন। কোন বিষয় জানতে চাইলে সেখানেই সাহায্য চাইতে পারেন।

হ্যাকিং রিসোর্স :

"www.mahedi.info" "hacking resource"
হ্যাকিং করতে হলে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় কোড, স্ক্রিপ্ট, ডর্ক ইত্যাদির। নিচে কিছু লিংক দেয়া হল যেখান থেকে আপনি অনেক মূল্যবান হ্যাকিং রিসোর্স পেতে পারেন যা আপনাকে হ্যাকার হতে সাহায্য করবে।

হ্যাকার মুভি :

"movies for hacker" "movie for hacker" "www.mahedi.info"
শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন চলে এলাম একেবারে বিনোদনে। হ্যা হ্যা। সারাদিন কাজ করলেই কি আর চলে? একটু বিনোদনও তো করা লাগে, নাকি? নিচে কিছু মুভির নাম দেয়া হল যা একজন হ্যাকারের দেখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে এখনই আরম্ভ করে দিন বিনোদন। আর হ্যা কোনটা কেমন লাগলো সে সম্পর্কে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আজ এ পযর্ন্তই।
  • TRON (1982)
  • THE GIRL WITH THE DRAGON TATTOO (2009)
  • WARGAMES (1983)
  • DIE HARD 4:LIVE FREE OR DIE HARD (2007)
  • SNEAKERS (1992)
  • THE MATRIX (1999)
  • EXISTENZ (1999)
  • THE CONVERSATION (1974)
  • THE SCORE (2001)
  • FOOLPROOF (2003)
  • HACKER (1995)
  • ANTITRUST (2001)
  • PIRATES OFSILICONVALLEY(1999)
  • THE LAWNMOWER MAN (1992)
  • THE CORE (2003)
  • VIRTUOSITY (1995)
  • TAKEDOWN (2000)
  • DEJA VU (2006)
  • ONE POINT O (2004)
  • REVOLUTION OS (2001)
  • THE NET (1995)
  • TRON : LEGACY (2010)
  • THE ITALIAN JOB (2003)
  • DISCLOSURE (1994)
  •  
  • JURASSICPARK(1993)
  • SWORDFISH (2001)
  • THE THIRTEENTH FLOOR (1999)
  • UNTRACEABLE (2008)
  • GAMER (2009)


Friday, May 13, 2016

UC Browser দিয়ে আপনার বন্ধুর ফেসবুক পাসওয়ার্ড জানুন


আমারা অনেকেই UC Browser দিয়ে নেট ব্যাবহার করি ।
মাঝে মাঝে আপনার বন্ধু ও আপনার মোবাইল দিয়ে ফেসবুক চালায়। আপনি চাইলে তার পাসওয়ার্ড পেতে পারেন ।
তো আসুন শুরু করি।প্রথমে আপনার UC Browser ওপেনকরুন ।
এবার অপশনে গিয়ে Settings দিয়ে Security তে দেখতে পাবেন login record এ গিয়ে auto save করে দিন । এবার আপনার বন্ধুকে আপনার ফোনে ফেসবুক এ লগইন করতে বলুন । এবার বন্ধু লগআউট করলেও আপনি http://facebook.com/ এ গিয়ে দেখুন বন্ধুর পাসওয়ার্ড আছে ।
কিন্তু সেটা দেখবেন কি করে ।
আপনি মাউস পয়েন্টার টা পাসওয়ার্ড ঘরে নিয়ে # চেপে 5 চাপুন । তাহলেই বন্ধুর পাসওয়ার্ড পাবেন । পোস্টটা ক্ষতির কাজে ব্যাবহার করবেন না |

Tuesday, February 16, 2016

চলন্ত গাড়ি হ্যাক


চলন্ত গাড়ি হ্যাক

চলন্ত গাড়ি হ্যাক করতে সক্ষম হয়েছেন সাইবার গবেষকেরা।ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধার চলন্ত গাড়ি হ্যাক করে দূর থেকে তার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব। দুজন সাইবার নিরাপত্তা গবেষক সম্প্রতি তা করে দেখিয়েছেন। চালু অবস্থায় ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ন্ত্রিত এই পরীক্ষা সফল হওয়ায়, ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধার গাড়ির নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট উইয়ার্ড ডটকমের এক প্রতিবেদকের গাড়ি হাইওয়েতে চলা অবস্থায় তা পরীক্ষামূলকভাবে হ্যাক করে দেখান যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক হ্যাকার শার্লি মিলার ও আইওঅ্যাকটিভ নামের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের গবেষক ক্রিস ভ্যালাসেক। তাঁরা ফিয়াট ক্রিসলার টেলিমেটিকস সিস্টেম ইউকানেক্ট ফিচারটি ব্যবহার করে এ পরীক্ষা চালান। পরীক্ষার সময় গাড়ির চেরোকি রেডিও সিস্টেমটি চালু করেন এবং গাড়ির অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় ফিচার সক্রিয় করার আগে তারা এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমের হার্ডওয়্যার কোড রিরাইট করেন। এর মাধ্যমে গাড়ির স্টিয়ারিং, ব্রেক ও ইঞ্জিনের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কে কমান্ড পাঠান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মিলনার বলেন, ‘হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো গাড়ি এই মুহূর্তে রাস্তায় চলাচল করছে।’
ইতালির গাড়ি নির্মাতা ফিয়াট ক্রিসলার জানিয়েছে, তাদের গাড়িতে যে বাগ বা সফটওয়্যার ত্রুটি ধরা পড়েছে তার জন্য নিরাপত্তা প্যাঁচ উন্মুক্ত করেছে। কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে তা হালনাগাদ করে নেওয়া যাবে।
ফিয়াট কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটের মতো উন্নত নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য গাড়ির সফটওয়্যারও হালনাগাদ করা প্রয়োজন। এতে গাড়ির সিস্টেমে অনাকাঙ্ক্ষিত হ্যাকের ঝুঁকি এড়ানো যাবে।
গাড়ির নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন মিলার ও ভ্যালাসেক। মিলার ও ভ্যালাসেক বলেন, গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে তাঁরা ইতালির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁরা গাড়ির জন্য নিরাপত্তা প্যাঁচ তৈরিতে কাজ করেছেন।
আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য ডেফ কন সিকিউরিটি সম্মেলনে তাঁরা এ সংক্রান্ত নিবন্ধ উপস্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁদের দাবি, গাড়ির এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম হ্যাক করার পর সেখান থেকে গাড়ির মূল নেটওয়ার্কে হামলা করার পদ্ধতিটি জটিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে লেগে থাকলে তা হ্যাক করে ফেলা সম্ভব।
গবেষকেদের দাবি, ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধার গাড়ি নির্মাতাদের নিরাপদ গাড়ি তৈরিতে আরও পরিশ্রম করতে হবে এবং সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখতে হবে।

Friday, February 12, 2016

Avast Antivirus এর কিছু হ্যাকিং ট্রিক

ডাউনলোড করা নেই তারা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করে ইনস্টল করে নিতে পারেন।
  1.  http://www.avast.com/download-update এই লিঙ্কে যান। তারপর vps update ডাউনলোড করুন। ইন্সটল করুন।
এর পরের পদ্ধতিটা খুব মজার। আপনার নেট না থাকলে, আপডেটেড অ্যাভাস্ট ইউজ করে এমন এক বন্ধুর বাসায় পেন্ড্রাইভটা নিয়ে যান।
তার পিসির C:\Program Files\Alwil Software\Avast5\Setup এই ঠিকানায় যান।
এর পর .vpx নামে যত ফাইল আছে কপি করে পেনড্রাইভে করে বাসায় নিয়ে আসুন।
তারপর আপনার পিসির একই ফোল্ডারে সেফ মূডে পেস্ট করুন।
আপনার প্রিয় অ্যাভস্ট এখন আপডেটেড!!!
খেয়াল রাখবেন, সেফমুড ছাড়া কিন্তু ফাইলগূলো পেস্ট হবেনা।
এই পদ্ধতিতে পিসির ওপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দেয়ার আগেও ব্যাকয়াপ রেখে দিতে পারেন। তাহলে বারবার আপডেট দিতে হবেনা।
এই টিপসটি অ্যাভাস্ট এর প্রায় সকল ভার্সনেই কাজ করবে। যাদের কাছে অ্যাভাস্ট এর নতুন ভার্সন Avast 8 
ডাউনলোড করা নেই তারা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করে ইনস্টল করে নিতে পারেন।

Wednesday, February 10, 2016

WINRar ফাইল এর পাসওয়ার্ড হ্যাক করুন {কম্পিউটার সফটওয়্যার}


 আমরা হয়ত কিছু সাইট থেকে বিভিন্ন্য ফাইল ডাউনলোড করি তো কিছু ফাইল পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট থাকে । আপনার কোন ফাইল এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন তো সেই সময় আপনার এটি কাজে লাগবে । তো চলুন দেখে আসি এটি কিভাবে কাজ করে । প্রথমে আপনি এখান থেকে ফাইল টি  ডাউনলোড  করুন। আজ আমি যে সফটয়ার টি আপনাদের সাথে সেয়ার করতে জাচ্ছি সেটি হয়ত অনেক কাজে না লাগলেউ কিছু টা কাজে লাগবে । আমরা হয়ত কিছু সাইট থেকে বিভিন্ন্য ফাইল ডাউনলোড করি তো কিছু ফাইল পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট থাকে । আপনার কোন ফাইল এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন তো সেই সময় আপনার এটি কাজে লাগবে । তো চলুন দেখে আসি এটি কিভাবে কাজ করে । প্রথমে আপনি এখান থেকে ফাইল টি ডাউনলোড করুন এবার ফাইল টিকে এক্সট্রাট করুন তারপর নিচের ছবির মত কাজ করুন


ফাইল নেম এর জাইগাই আপনার ফাইল নেম টা দিবেন(এক্সটেনশান শহ যেমন .rar)







লোকেসান এর জাইগাই লোকেসান দেন তারপর ইন্টার চাপ দেন



(নোট) বড় পাসওয়ার্ড এর জন্য সময় একটু বেসি লাগবে । যত ছোট পাসওয়ার্ড হবে সময় তত কম লাগবে

পেয়ে গেলেন আপনার কাঙ্খিত পাসওয়ার্ড

কোটি কোটি ম্যাসেজ দিন এক সাথে সফটওয়্যার এর কাজ





এই সফটওয়্যার এর বিশেষ ফিচার গুলো হচ্ছেঃ এটি Full Version এবং কোন Advertisement ও Spam নেই!এই সফটওয়্যার এর Text Box এ আপনার ইচ্ছা মত লিখে Start এ ক্লিক করলে সফটওয়্যারটি বাইন্ড করা শুরু করবে তারপর আপনি যেকোন টেক্সফিল্ড এ মাউস রাখলেই সেটা লিখবে এবং Enter Press করবে (যার ফলে আপনার বন্ধুকে হাজার ম্যাসেজ দিতে পারবেন,ফেসবুক বা যেকোন যায়গায়)এবং STOP এ ক্লিক করলে সফটওয়্যারটি বাইন্ড করা বন্ধ করবে।

 ডাউনলোড


১। ডাউনলোড করার পর Winnar দিয়ে Unzip করে নিন এবং Setup এ ক্লিক করে নিচের মত Install এ ক্লিক করুন তাহলে সফটওয়্যারটি Install হবে!








২। এবার Desktop থেকে Text Bomber ওপেন করে Text Box এ আপনার ইচ্ছা মত লিখে যেকোন লেখার স্থানে মাউস ক্লিক করুন আর দেখুন মজা(উদাহরনঃ নিচের টেক্সট বক্স এ আমি > আমার সোনার বাংলা লিখেছি এবং নোটপ্যাড এ ক্লিক করেছি আর আপনি নিজেই দেখুন কি মজা)

Wi-Fi পাসওয়ার্ড হ্যাক করার পদ্ধতি Windows-7, Windows-8, Windows-8.1 এবং Windows 10-এর জন্য প্রযোজ্য।


আমরা কম্পিউটারে যারা ওয়াইফাই ব্যবহার করি, তারা প্রত্যেকেই জানি, কম্পিউটারের মনিটরের ডান কোনায় নিচের দিকে এমন একটি WiFi-এর আইকন আছে। ছবিটি দেখুন।







এটার উপর মাউস পয়েন্টার রেখে মাউসের ডান বোতাম ক্লিক করে Open Network and Sharing Center-এ ক্লিক করুন। একটা উইন্ডো আসবে। উইন্ডো-টা ভাল করে খেয়াল করুন। এখানে বাম পাশের উপরের দিকে Manage Wireless networks-লেখা আছে, এটাতে ক্লিক করুন। নিচের উইন্ডো-টা খেয়াল করুন।





এবার অন্য আরও একটি উইন্ডো আসবে। নিচের ছবিটির মত করে। ভাল করে খেয়াল করুন, আপনি যেসব ওয়াইফাই ব্যবহার করেছেন, এখানে সবগুলোর লিস্ট দেখা যাচ্ছে।







এবার আপনি যেই WiFi-এর পাসওয়ার্ড/সিকিউরিটি কি দেখতে চান সেটার উপর মাউসের ডান বোতাম ক্লিক করে Properties-এ ক্লিক করুন। নিচের ছবিটা খেয়াল করুন।



এবার একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এখানে Security ট্যাব সিলেক্ট করুন। তারপর নিচের Show characters-এর চেক বক্সে ক্লিক করুন। ব্যাস, এখন আপনি Network security key-টেক্সট বক্স-এ সিকিউরিটি কী অথবা পাসওয়ার্ড দেখতে পাবেন। নিচের ছবিটা ভাল করে খেয়াল করুন।






এই পদ্ধতিটা Windows-7, Windows-8, Windows-8.1 এবং Windows 10-এর জন্য প্রযোজ্য।

(বি:দ্রঃ আপনি ওয়াইফাই কানেক্টেড না এইরকম নেটওয়ার্কের পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন না। তবে ব্যাকট্রাক নামে একটা লিনাক্সের অপারেটিং সিস্টেম আছে, যার মাধ্যমে আপনি সব পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন। কিন্তু সেই পদ্ধতিটা আমি কখনও চেষ্টা করে দেখিনি, তাই আপনাদের দিতে পারছি না।)

Wednesday, February 3, 2016

হ্যাকিং থেকে বাঁচার সাত উপায় দিলেন হ্যাকাররাই


images-10 হ্যাকিং করাটা বোধ হয় ইদানীং বেশ সোজাই হয়ে গেছে। আজকাল সবার অনলাইন অ্যাকাউন্টই তাই কমবেশি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকির মধ্যে থাকে।

1.ফোনের ওয়াই-ফাই বন্ধ

সব সময় ফোনের ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখবেন না। হ্যাকারদের ঝোঁকই হচ্ছে এ ধরনের সুযোগ খোঁজা। সব সময় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখলে অপরিচিত ব্যক্তিরাও ফোনের মধ্যে কী আছে, তা দেখার জন্য চেষ্টা চালায়।
সব সময় চালু রাখলে কী সমস্যা? সমস্যা হচ্ছে, আগে কোন কোন নেটওয়ার্কে আপনি সক্রিয় ছিলেন হ্যাকাররা তা জানতে পারেন। আগের সেই নেটওয়ার্কের সূত্র ধরে হ্যাকাররা প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। হ্যাকাররা আগের নেটওয়ার্কের ছদ্মবেশে নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি করে আপনার ফোনকে আগের কোনো ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য প্রলোভন দেখায়। একবার এই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়লে হ্যাকাররা ফোনে অসংখ্য ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দেন এবং আপনার অজান্তেই ফোন থেকে তথ্য চুরি, নজরদারির মতো কাজগুলো চালিয়ে যান। তাই যখন প্রয়োজন থাকে না, তখনই ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ বন্ধ রাখুন।

2.দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার

এখন আর শুধু পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজেকে নিরাপদ ভাবা ঠিক হবে না। প্রায় সময়ই পাসওয়ার্ড হ্যাক হতে দেখা যাচ্ছে।
টু-স্টেপ অথেনটিকেশন বা দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবহার করুন। এখন অনেক ওয়েবসাইট বা সার্ভিস দুই স্তরের নিরাপত্তা দিচ্ছে। দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীকে তাঁর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাশাপাশি লগ ইন করার সময় স্মার্টফোন ও ট্যাবে আরও একটি কোড ব্যবহার করতে হয়। এতে অতিরিক্ত একটি স্তরের নিরাপত্তা পাওয়া যায়। তাই যতক্ষণ হাতে মোবাইল ফোন থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত আর কেউ অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারছে না সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। অ্যাপল, গুগল, ফেসবুক, ড্রপবক্সের মতো অনেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে দুই স্তরের এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া রয়েছে। নতুন কোনো যন্ত্রে যখনই লগ ইন করতে যাবেন, তখন পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর একটি গোপন কোড চাওয়া হবে। এটি কেবল আপনার ফোনে তৎক্ষণাৎ পাবেন। যদি হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড জানেন, তবে আপনার মোবাইলে আসা কোড না জানা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবে না।

3.স্মার্ট পাসওয়ার্ড

যেসব অ্যাকাউন্ট বা ওয়েবসাইটে আপনার স্পর্শকাতর তথ্য রয়েছে, সেগুলোতে দীর্ঘ ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। অক্ষর, চিহ্ন, সংখ্যা প্রভৃতি মিলিয়ে পাসওয়ার্ড জটিল করে তুলুন। প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে ‘লাসপাস’ বা ‘পাসওয়ার্ড সেফ’ কাজে লাগতে পারে। প্রতিবছর অন্তত একবার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।

4.এইচটিটিপিএস ব্যবহার

প্রতিটি ওয়েবসাইট ব্রাউজের সময় এইচটিটিপিএস ব্যবহার করুন। এইচটিটিপিএস ব্যবহার করতে ‘এইচটিটিপিএস এভরিহোয়্যার’ টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এই টুলটি আপনার ব্রাউজারের সব তথ্য এনক্রিপ্ট করে। আপনি যদি অ্যাড্রেস বারে শুধু এইচটিটিপি ব্যবহার করেন, তবে যে কেউ আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজের বিষয়ে নজরদারি করতে পারে।

5.ওয়াই-ফাই সেটআপ

ওয়াই-ফাই সেটআপের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড দিন। ডিফল্ট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। সিকিউরিটি এনক্রিপশন দেওয়ার বেলায় ডব্লিউপিএ-২ নির্বাচন করে দিন। বেশির ভাগ রাউটারে ওয়্যারড ইকুভ্যালেন্ট প্রাইভেসি (ডব্লিউইপি) বা ওয়্যারলেস প্রটেক্টেড অ্যাকসেস (ডব্লিউপিএ) ডিফল্ট আকারে দেওয়া থাকে। যেকোনো মূল্যে এ এনক্রিপশন বাদ দিন।

6.ওয়াই-ফাই আড়াল নয়

আপনার হোম রাউটার সেটিংসের সময় আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘হাইড দ্য এসএসআইডি?’ আপনি যদি আপনার ওয়াই-ফাইকে আড়াল করার জন্য ‘ইয়েস’ নির্বাচন করে দেন, তখন আপনার মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ হোম নেটওয়ার্ক খুঁজে পেতে সক্রিয়ভাবে স্ক্যান করতে থাকে। সংযোগ পেলেও সব সময় নেটওয়ার্ক পাওয়ার জন্য আপনার যন্ত্র স্ক্যান চালিয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি গোপন একটি প্রকল্পের ওয়াই-ফাই হ্যাকার বেন স্মিথ বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা ভাবলে এসএসডি লুকানোর মাধ্যমে আপনি নিজেকে পাঁচ বছর পুরোনো প্রযুক্তির কাছে সমর্পণ করেন।’

7.ইন্টারনেট সুবিধার পণ্য কিনতে তড়িঘড়ি

বাজারে ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্য এলে অনেকেই তা কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্য বাজারে আনার জন্য যেভাবে তড়িঘড়ি চালায় প্রাইভেসি ও নিরাপত্তার বিষয়ে তত গুরুত্ব দেয় না। হ্যাকার স্ট্যানস্লাভ বলেন, ‘ইন্টারনেট সুবিধার এমন পণ্য নিরাপদ এ কথা বলার জন্য বলা হলেও আদতে তা নয়। তাই ইন্টারনেট সুবিধার নতুন পণ্যগুলো নিরাপদ কি না, তা দেখে কেনা উচিত।’

যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না

যে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না

Unnamed পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা
প্রতিষ্ঠান
স্প্ল্যাশডাটা ১৯ জানুয়ারি
প্রকাশ করেছে
২০১৫ সালের সবচেয়ে বেশি
ব্যবহৃত ২৫টি
পাসওয়ার্ডের তালিকা।
এই
পাসওয়ার্ডগুলো
সবচেয়ে কমন, তাই খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
গত বছর ইন্টারনেটে ফাঁস হওয়া ২
মিলিয়নের
বেশি পাসওয়ার্ড থেকে এই
তালিকা প্রস্তুত
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সহজ এসব
পাসওয়ার্ড
ব্যবহার করায় হ্যাকিংয়ের
শিকার হয়েছেন
অনেক ব্যবহারকারী।
হ্যাকিং এড়াতে ৮ ডিজিটের
কিংবা তার
বেশি ডিজিটের পাসওয়ার্ড

(অক্ষর, নম্বর
এবং চিহ্নের সমন্বয়ে) ব্যবহার,
বিভিন্ন
সাইটের জন্য আলাদা আলাদা
ইউজার নেম
এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং
সবগুলো
পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখার জন্য
পাসওয়ার্ড
ম্যানেজার ব্যবহারের পরামর্শ
দিয়েছে
প্রতিষ্ঠানটি।
★ জেনে নিন স্প্ল্যাশডাটার তথ্য
অনুযায়ী মারাত্নক ঝুকিপূর্ণ ২৫টি
পাসওয়ার্ড। আপনার পাসওয়ার্ড এ
তালিকায় থাকলে এখনই পরিবর্তন
করে ফেলুন….
১. 123456
২. password
৩. 12345678
৪. qwerty
৫. 12345
৬. 123456789
৭. football
৮. 1234
৯. 1234567
১০. baseball
১১. welcome
১২. 1234567890
১৩. abc123
১৪. 111111
১৪. 1qaz2wsx
১৬. dragon
১৭. master
১৮. monkey
১৯. letmein
২০. login
২১. princess
২২. qwertyuiop
২৩. solo
২৪. passw0rd
২৫. starwars
স্প্ল্যাশডাটার তথ্য অনুযায়ী,
123456
পাসওয়ার্ডটি টানা পাঁচ বছর ধরে
শীর্ষে
রয়েছে! কমন এই পাসওয়ার্ডটি
সবচেয়ে বেশি
ব্যবহার করা হয়েছে এবং এখনো
হচ্ছে।

হ্যাকিং শিখুন শুধু মাত্র ৩ টি বই পড়ে


হ্যাকিং এবং হ্যাকার শব্দ দুটি দেখলেই যেন কিশোর মনে শিহরণ জাগিয়ে তোলে। তরুণ প্রজন্মের কাছে অন্যরকম এক এডভ্যাঞ্চার হলো এই দুটি শব্দ। এইতো কয়েক বছর আগেও আমাদের দেশে এই শব্দ দুটি খুব বেশি পরিচিত ছিল না। হ্যাকার মানেই সবার মনের পর্দায় ভেসে উঠতো এমন একজনের ছবি যে অন্যের ব্যাংক আইডি চুরি করে নিজের জন্য টাকা ডাকাতি করে। তবে এখন সময় বদলেছে। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম অনেক বেশি সচেতন। হ্যাকিং কি? হ্যাকিং একটি প্রক্রিয়া যেখানে কেউ কোন বৈধ অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে।যারা এ হ্যাকিং করে তারা হচ্ছে হ্যাকার।এসব কথা আমরা প্রায় সবাই জানি।আমরা প্রায় সবাই জানি হ্যাকিং বলতে শুধু কোন ওয়েব সাইট হ্যাকিং আবার অনেকের ধারনা হ্যাকিং মানে শুধু কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হ্যাক করা,আসলে কি তাই?না আসলে তা না।হ্যাকিং অনেক ধরনের হতে পারে। আমাদের মোবাইল ফোন, ল্যান্ড ফোন, গাড়ি ট্র্যাকিং,বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও ডিজিটাল যন্ত্র বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে তা ও হ্যাকিং এর আওতায় পড়ে।হ্যাকাররা সাধারনত এসব ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের ত্রুটি বের করে তা দিয়েই হ্যাক করে। এবার আসি হ্যাকার কে বা কি? যে ব্যাক্তি হ্যাকিং practice করে তাকেই হ্যাকার বলে।এরা যে সিস্টেম হ্যাকিং করবে ঐ সিস্টেমের গঠন, কার্য প্রনালী, কিভাবে কাজ করে সহ সকল তথ্য জানে।আগেতো কম্পিউটারের এত প্রচলন ছিলনা তখন হ্যাকাররা ফোন হ্যাকিং করত।ফোন হ্যাকারদের বলা হত Phreaker এবং এ প্রক্রিয়া কে বলা হয় Phreaking।এরা বিভিন্ন টেলিকমনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে নিজের প্রয়োজনে ব্যাবহার করত। তিন প্রকারের হ্যাকার রয়েছেঃ প্রথমেই বলে রাখি হ্যাকারদের চিহ্নিত করা হয় Hat বা টুপি দিয়ে। 1. White Hat Hacker 2. Grey Hat Hacker 3. Black Hat Hacker White Hat Hacker: সবাই তো মনে করে হ্যাকিং খুবই খারাপ কাজ তাই না? না হ্যাকিং খুব খারাপ কাজ না। White Hat Hacker হ্যাকাররাই প্রমান করে যে হ্যাকিং খারাপ কাজ না।যেমন একজন White Hat Hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটি দ্রুত জানায়।সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে্‌ একটি ওয়েব সাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি। Grey Hat Hacker: এরা হচ্ছে দু মুখো সাপ। কেন বলছি এবার তা ব্যাখ্যা করি। এরা যখন একটি একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করবে। তার মন ঐ সময় কি চায় সে তাই করবে। সে ইচ্ছে করলে ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটি জানাতেও পারে অথবা ইনফরমেশনগুলো দেখতে পারে বা নষ্টও করতে পারে। আবার তা নিজের স্বার্থের জন্যও ব্যবহার করতে পারে। বেশিরভাগ হ্যাকাররাই এ ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে। Black hat hacker: আর সবচেয়ে ভয়ংকর হ্যাকার হচ্ছে এরা।এরা কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করলে দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। ঐ সিস্টেম নষ্ট করে। বিভিন্ন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়। ভবিষ্যতে নিজে আবার যেন ঢুকতে পারে সে পথ রাখে। সর্বোপরি ঐ সিস্টেমের অধিনে যে সকল সাব-সিস্টেম রয়েছে সেগুলোতেও ঢুকতে চেষ্টা করে। হ্যাকাররা অনেক বুদ্ধিমান এটা সর্বোজন স্বীকৃত বা সবাই জানে। অনেক ভালো ভালো হ্যাকার জীবনেও কোন খারাপ হ্যাকিং করেনি। কিন্তু তারা ফাঁদে পড়ে বা কারো উপর রাগ মিটানোর জন্য একটি হ্যাকিং করল। তখন আমরা তাকে উপরের কোন ক্যাটাগরিতে ফেলবো? সেও Grey Hat Hacker কারন তার হ্যাকিংটা নির্ভর করছে তার ইচ্ছে বা চিন্তার উপর। নিচে আরো কয়েক প্রকারের হ্যাকারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিঃ Anarchists: এরা হচ্ছে ঐ সকল হ্যাকার যারা বিভিন্ন কম্পিউটার সিকিউরিট সিস্টেম বা অন্য কোন সিস্টেম কে ভাঙতে পছন্দ করে। এরা যেকোন টার্গেটের সুযোগ খুজে কাজ করে। Crackers: অনেক সময় ক্ষতিকারক হ্যাকারদের ক্র্যাকার বলা হয়। খারাপ হ্যকাররাই ক্র্যাকার। এদের শখ বা পেশাই হচ্ছে বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ভাঙ্গা এবং Trojan Horses তৈরি করা এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার তৈরি করা।ক্ষতিকারক সফটওয়্যারকে Warez বলে। এসব ক্ষতিকারক সফটওয়্যারকে তারা নিজেদের কাজে ব্যবহার করে অথবা বিক্রি করে দেয় নিজের লাভের জন্য। (আপনি কি এদের একজন? তাহলেতো আপনিই হচ্ছেন হ্যাকিং এর কিং।) Script kiddies: এরা কোন প্রকৃত হ্যাকার নয়। এদের হ্যাকিং সম্পর্কে কোন বাস্তব জ্ঞান নেই। এরা বিভিন্ন Warez ডাউনলোড করে বা কিনে নিয়ে তারপর ব্যবহার করে হ্যাকিং । হ্যাকিং এর পদ্ধতিগুলোঃ পিশিং: পিশিং সম্পর্কে আমরা প্রায় সবাই কিছু জানি।

 Denial of Service attack: সংক্ষেপে DoS Attack একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকাররা কোন একসেস না পেয়েও কোন নেটওয়ার্ক এ ঢুকে তার ক্ষমতা নষ্ট করে। DoS Attack এ নেট কানেকশন বা রাউটারের ট্যারিফ বাড়িয়ে দেয়। Trojan Horses : হচ্ছে একটি প্রোগ্রাম যা অন্যান্য প্রোগ্রামকে নষ্ট করে। এটিকে সবাই ভাইরাস নামেই চিন। Trojan Horses ব্যবহার করে অন্যান্য প্রোগ্রাম নষ্টের পাশা পাশি পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য তথ্য হ্যাকারদের কাছে সংকৃয় ভাবে পৌছিয়ে দেয়। Back Doors: Back Doors খুজে বের করে হ্যাকাররা কোন সিস্টেম কে কাজে লাগায়। Back Doors গুলো হচ্ছে প্রশাসনিক সহজ রাস্তা, configuration ভুল, সহজে বুঝতে পারা যায় এমন passwords, এবং অসংরক্ষিত dial-ups কানেকশন ইত্যাদি। এরা কম্পিউটার এর সাহায্যে এ ত্রুটি গুলো বের করে। এ গুলো ছাড়া ও অন্যান্য দুর্বল জায়গা ব্যবহার করে কোন নেটওয়ার্ক কে কাজে লাগায়। Rogue Access Points : কোন ওয়ারলেস নেটওয়ার্কে প্রবেশের জন্য হ্যাকাররা Rogue Access Points ব্যবহার করে। এছাড়াও আরো অনেক ভাবে হ্যাকাররা হ্যাকিং করতে পারে যা আস্তে আস্তে জানতে পারবেন। আমার এগুলো জানানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনাদের কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে যেন এ ধরনের ত্রুটি না থাকে। আর দেরি না করে বই Download করুন আর মানুষকে Help করুন
Download Book 1
 Download Book 2 
Downlaod Book 3 -