Sign Up To The Free Email Newsletter!

Want to get notified whenever we produce the latest content ? Then subscribe now to start receiving hot updates from today.

Showing posts with label খবর. Show all posts
Showing posts with label খবর. Show all posts

Tuesday, September 13, 2016

এখন ইউটিউব থেকে সহজে monetize করে আয় করুন

বর্তমানে অন্যান্য দেশের ছেলে মেয়েরা হাজার হাজার ডলার অায় করছে YouTube থেকে!!! মূলত সরাসরি বাংলাদেশী কোন ইউজার কে পাটনার করে না। অার সেই কারনে বাংলাদেশের অনেকেই Google AdSense একাউন্ট ব্যবহার করতে পারে না। যেমন ইউটিউবে যদি অাপনার Country বাংলাদেশ দেওয়া থাকে তবে কখনোই অাপনাকে video monetize করতে দিবে না। কিন্তু অামরা তো বাংলাদেশী। অামাদের কোন কিছুতেই অাটকিয়ে রাখা যাবে না!!! তাই অামাদের YouTube video থেকে অায় করার জন্য country বদলাতে হবে!!!... J
ভয় নেই,,, যাস্ট YouTube থেকে বদলে দিবেন অাপনার দেশের নাম। প্রথমে অাপনার YouTube channel এ যান।monetize না হলে অাপনার ভিডিও এডসেন্সের সাথে সংযুক্ত হবে না। অার সংযুক্ত না হলে অাপনি কোন টাকাই পাবেন না। অার কিভাবে সহজের্ AdSense একাউন্ট খুলবেন তা জানতে অামার সাইটটি তো আছেই।
তার পরে Video manager এ ক্লিক করুন। এখন অাপনাকে বাম পাশের অপসন গুলো থেকে channel>advanced এ ক্লিক করতে হবে। তার পরে
নিচে দেখুন অাপনার country বদলানোর অপসন চলে অাসছে। ভ্যাস,,, বদলে ফেলুন।
এবার অাপনার video গুলো monetize করে অায় করুন $ ডলার!!! ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

Monday, May 16, 2016

hacking


"who are hacker" "what is hacking" "www.mahedi.info"

হ্যাকার যারা :

হ্যাকার হচ্ছেন একজন ব্যাক্তি যিনি শুধুমাত্র বিভিন্ন মাধ্যম/সিস্টেম এর খুত খুজে বের করে। কিন্তু তিনি এর ক্ষতিসাধন করেন না। একজন হ্যাকার মূলত একজন প্রোগ্রামার যার প্রধান কাজ হচ্ছে অনলাইনে কোন সিস্টেমের খারাপ দিকগুলো খুজে বের করা। তারা প্রোগ্রামার এবং তারা প্রোগ্রাম নতুন নতুন খুত বের করতে ব্যবহার করে।
"hacker forum" "www.mahedi.info"

হ্যাকার ফোরাম :

আপনি একজন হ্যাকার হতে হলে প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকার যারা মূলত ইলিট (এ ব্যাপারে আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছে) তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো শিখে নিতে হবে। আর বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে আলোচনা হয় ফোরামে। নিচে হ্যাকারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের লিংক প্রদান করা হল। ফোরামগুলোতে যোগদিন এবং নিয়মিত পোষ্টগুলো পড়ুন। কোন বিষয় জানতে চাইলে সেখানেই সাহায্য চাইতে পারেন।

হ্যাকিং রিসোর্স :

"www.mahedi.info" "hacking resource"
হ্যাকিং করতে হলে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় কোড, স্ক্রিপ্ট, ডর্ক ইত্যাদির। নিচে কিছু লিংক দেয়া হল যেখান থেকে আপনি অনেক মূল্যবান হ্যাকিং রিসোর্স পেতে পারেন যা আপনাকে হ্যাকার হতে সাহায্য করবে।

হ্যাকার মুভি :

"movies for hacker" "movie for hacker" "www.mahedi.info"
শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন চলে এলাম একেবারে বিনোদনে। হ্যা হ্যা। সারাদিন কাজ করলেই কি আর চলে? একটু বিনোদনও তো করা লাগে, নাকি? নিচে কিছু মুভির নাম দেয়া হল যা একজন হ্যাকারের দেখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে এখনই আরম্ভ করে দিন বিনোদন। আর হ্যা কোনটা কেমন লাগলো সে সম্পর্কে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আজ এ পযর্ন্তই।
  • TRON (1982)
  • THE GIRL WITH THE DRAGON TATTOO (2009)
  • WARGAMES (1983)
  • DIE HARD 4:LIVE FREE OR DIE HARD (2007)
  • SNEAKERS (1992)
  • THE MATRIX (1999)
  • EXISTENZ (1999)
  • THE CONVERSATION (1974)
  • THE SCORE (2001)
  • FOOLPROOF (2003)
  • HACKER (1995)
  • ANTITRUST (2001)
  • PIRATES OFSILICONVALLEY(1999)
  • THE LAWNMOWER MAN (1992)
  • THE CORE (2003)
  • VIRTUOSITY (1995)
  • TAKEDOWN (2000)
  • DEJA VU (2006)
  • ONE POINT O (2004)
  • REVOLUTION OS (2001)
  • THE NET (1995)
  • TRON : LEGACY (2010)
  • THE ITALIAN JOB (2003)
  • DISCLOSURE (1994)
  •  
  • JURASSICPARK(1993)
  • SWORDFISH (2001)
  • THE THIRTEENTH FLOOR (1999)
  • UNTRACEABLE (2008)
  • GAMER (2009)


Sunday, May 15, 2016

Shortcut Virus কে Remove করুন ১০০% কাজের code

Shortcut Virus কে Remove করুন ১০০% কাজের code







How to Remove Shortcut Virus in PC and Flash Drive
Click here See video
Usually, when any of the files infected by this virus, it is hard to find it and eventually it becomes corrupted and hard to finds, as a result, the entire system gets end, which is not good for a PC. This guide is for the users whose computers are suffering with this problem. First let me make you know the types of viruses that can infect the computer.
Shortcut virus usually has two types of variations. One of them is Flash drive Shortcut virus and the second one is the File and Folder Shortcut virus.
As the name says, this type of virus affects your files and folders by replacing the originals with shortcuts.exe. This virus is a combination of Trojan and Worm. Bad thing about this kind of virus is there won’t be any other option except to click on them to open the files and folders. Then the virus starts spreading to the entire computer, and enters the malicious software then steal the important data including credit card information.
Flash Driver Shortcut Virus
remove short cut virus from flash drive
Unlike folder and file virus, flash drive shortcut virus is pure Trojan virus. It combines each file in your device and puts in a hidden folder. After that it creates a Flash Disk similar to shortcut.exe, just like the folder shortcut virus, there won’t be a choice for you except to click on the file. Once after installing the application, it spies on your computer and steals you financial records and other important files if they are not detected in the beginning.

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের গুরুপ্তপুর্ন টিপস এবং আপডেট মুল্য তালিকা ও Configuration




বর্তমান আমাদের দেশে এখন অনেকেই  ডেস্কটপের পরিবর্তে ল্যাপটপ ব্যবহার করছে। যদিও প্রোফেশনাল কাজের জন্য ডেস্কটপই উপযুক্ত। আমি মনে করি যারা শখের বশে বা সাধারন আকজের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাদের ল্যাপটপ কেনাই ভাল। ল্যাপটপ সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে- নেটবুক, নোটবুক।
ল্যাপটপ টিপস

♦ চার্জ দিয়ে ল্যাপটপ চালানো লাগলেও কমপক্ষে মাসে একদিন চার্জ ছাড়া চালাতে হবে, তাতে ব্যাটারি সবগুলো সেল ব্যবহার হয় ফলে ব্যাটারিশক্তি।
♦ চার্জ ছাড়া ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
♦ মাঝে মাঝে ব্যাটারির কানেক্টর লাইন পরিষ্কার করুন।
♦ ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। এখানে একটি কথা বলে রাখি, যেকোন  এন্টিভাইরাসের ট্রেয়াইল ভার্সন ব্যবহার করবেন না।
♦ দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।
♦ হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারণ সিডি/ডিভিডি র‌্যাম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
♦ এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন ও সহজে বাতাস চলাচল করে এমনভাবে ল্যাপটপ রাখুন, কোন আবস্থায় ল্যাপটপ সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
♦ শাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
♦ ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন। কারন এতে বেশী চার্জ যায়।
♦ হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ-এর মেইনটেন্যান্সে কোনো কাজ করবেন না।
♦ কাজ শেষে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
♦ মাঝে মাঝে মেমোরি ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimi“er, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram নিয়মমাফিক নিয়মিত ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
♦ আপাতত দরকার নেই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।
♦ ল্যাপটপ এর উপর ময়লা পরলে তা পরিষ্কার করা যেই কাজটা আমরা অনেকেই করি না। আর অবশ্যই সঠিক পরিস্কারক দ্রব্য ব্যবহার করা উচিত।
♦ ল্যাপটপের কি বোর্ড ও মাউস এর পরিবর্তে এক্সটারনাল কি বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করা। এতে করে ল্যাপটপের কিবোর্ড এবং মাউস প্যাড ভাল থাকবে দীর্ঘ দিন।
♦ ল্যাপটপে বেশি গ্রাফিক্সের গেমস না খেলা, এতে করে ল্যাপটপ খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায় যা ভেতরের অন্যান্য যন্ত্রপাতির জন্য ক্ষতিকারক।
♦ ল্যাপটপে যথা সম্ভব ছোট সাইজের সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত।
♦ ল্যাপটপ য়থা সম্ভব কম সময়ের জন্য চালানো উচিৎ।
♦ সরাসরি তাপ থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখা উচিত।
♦ ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের ওপর রেখে অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
♦ ল্যাপটপে বিল্ট-ইন কিছু ডিভাইস আছে যেমন : ব্লু-টুথ, ওয়াই-ফাই, ইনফ্রারেড ইত্যাদি। প্রয়োজন না থাকলে ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখুন। এতে ব্যাটারির শক্তি খরচ কম হবে।
♦ ল্যাপটপে গেম খেলা বা কোনো কিছু টাইপ করার জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুন। কারণ, এসব ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহারে ল্যাপটপের টাচ প্যাড এবং কি-বোর্ডের আয়ু কমে যেতে পারে।
♦ ঘরে বা বাইরে বিদ্যুত্ ব্যবহারের সুবিধা আছে এমন স্থানে সরাসরি বিদ্যুত্ ব্যবহারের মাধ্যমে ল্যাপটপ চালান। ল্যাপটপের ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট আয়ু আছে। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার চার্জ হওয়ার পর এই ব্যাটারিটি নষ্ট অর্থাৎ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়।
♦ ল্যাপটপের এয়ার ভেন্টটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। কারণ এয়ার ভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলে প্রচুর তাপ উত্পন্ন হবে, যা ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর। খাবার ও পানীয় থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুন। না হলে অসাবধানতাবশত ল্যাপটপের ওপর পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
♦ ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত।

Saturday, May 14, 2016

দ্রুত মাথা ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায়



Headache
জীবনে কখনো মাথা ব্যথায় ভোগেননি এমন লোক হয়তো খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বিভিন্ন কারণে মাথা ব্যথা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, দুশ্চিন্তা, মাইগ্রেন, অতিরিক্ত ধূমপান, ব্যথানাশক ওষুধের বেশি ব্যবহার, শরীরের পানি শূন্যতা ইত্যাদি।
মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ওষুধ সেবন করেন। তবে ওষুধ সেবনের আগে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আছে, যেগুলো পালন করলে মাথা ব্যথা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যাবে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপটেন হোম রেমিডি জানিয়েছে দ্রুত মাথা ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু ঘরোয়া উপায়।

আদা
  • আদা মাথার রক্তনালির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করবে। এতে মাথা ব্যথা কমবে।
  • সমপরিমাণ আদার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে খান। মাথা ব্যথা থাকলে দিনে দুই থেকে তিনবার এটি খেতে পারেন।
  • এক চা চামচ শুকনো আদা গুঁড়ো, দুই টেবিল চামচ পানির মধ্যে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি কয়েক মিনিটের জন্য কপালে লাগিয়ে রাখুন। এতে ব্যথা কমবে।
  • এ ছাড়া আদা গুঁড়ো বা কাঁচা আদা সিদ্ধ করতে পারেন। এবার এই সিদ্ধ পানিতে ভাপ নিন।
  • এ ছাড়া ম্যথা ব্যথা দূর করতে দুই টুকরো আদার ক্যান্ডিও চিবুতে পারেন।
পুদিনা পাতার রস
  • পুদিনা পাতায় রয়েছে ম্যানথল ও ম্যানথন। এই উপাদানগুলো মাথা ব্যথা দূর করার জন্য খুব উপকারী।
  • এক মুঠো পুদিনা পাতা নিন। পাতা থেকে রস বের করুন। এই রস কপালে মাখুন।
  • এ ছাড়া পুদিনার চাও খেতে পারেন।
বরফের প্যাক
  • বরফ প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি এটি ব্যথা উপশম করবে।
  • বরফের প্যাক ঘাড়ে দিন। এতে মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকটা উপশম হবে।
  • এ ছাড়া একটি ধোয়া তোয়ালে বা কাপড়ের টুকরো বরফঠান্ডা পানিতে ভেজান। এটি মাথায় পাঁচ মিনিট রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি করতে পারেন। তবে যাদের ঠান্ডার সমস্যার রয়েছে তারা এটি না করলেই ভালো।

Friday, May 13, 2016

আপনার ব্যাটারি বাঁচাতে চাইলে , বর্জন করুন এই ৮ টি ব্যাটারিখোর গেম ।


আজ আমি আপনাদের সামনে বিশ্বের সেরা ৮টি ব্যাটারিখোর গেমের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব ও বিস্তারিত
তুলে ধরব। চলুন দেখেনিই বিশ্বের সেরা ব্যাটারিখোর গেম গুলো। আর হ্যা এগুরো শুধু শেরা ব্যাটারিখোর গেম না।
এ গেমগুলো বাস্তবেও সেরা গেম।

##1. Jewels Star বিশ্বের সেরা ব্যাটারিখোর গেমের তালিকায় প্রথমেই আছে jewels star গেমটি। মূলত এর হাই গ্রাফিক্স ও উন্নত
3D ভিজুয়্যাল এর কারনেই গেমটি সব থেকে বেশি পরিমানে ব্যাটারি ড্রেইন করে।
সারা বিশ্বে এ গেমটির ব্যাটারি ড্রেইন রেট ৩৪৪ মেগাওয়াট! ভাবতে পাচ্ছেন বিষয়টা। ৩৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুত হলে আমাদের কত কাজেই না লাগত
তাইনা?
##2. Hay Day গেমটি আমার দারুন প্রিয় একটি গেম। আসলে ফার্মিং করার মজাই আলাদা। কি বলেন আপনারা। তবে হ্যা ব্যাটারিখোর গেমের তালিকায় আমি এটিকে ২ নম্বরে রাখছি কারন এর ব্যাটারি ড্রেইন রেট ২১৬ মেগাওটায়।
গেমটি একই সাথে এন্ড্রয়েড ও আইফোন দুটরই বারোটা বাজাচ্ছে। তবুও আমি গেমটি খেলি।
##3. (Most mopular) COC বর্তমান সময়ে সবথেকে জনপ্রিয় গেম হল coc।
বিশ্বজুরে এ গেমের খেলোয়ারের অভাব নেই। বর্তমানে তো অনেকেই ফান করে বলে এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারী ২ ধরনের ১.
যারা coc খেলে ও ২. যারা coc খেলে না।
(আমি অবস্য খেলার দলে) তো যারা coc খেলে তাদের জন্য সুখবর হল ব্যাটারিখোর গেমের মধ্যে আপাতত এই টিউনে এটা আছে ৩ নম্বরে। COC গেমটির ব্যাটারি ড্রেইন রেট ২০৯ মেগাওয়াট।
##4. Angry Birds ছোট বড় সবার কাছেই অত্যান্ত
জনপ্রিয় এই গেমটি।
বিশেষত ছোটদের কাছে। তবে এটিও একটি ব্যাটারিখোর গেম। বিশেষ করে এর পপআপ এড ও গ্রাফিক্স এর কারনে এটি অনলাইন ও অফলাইন সব মোডোই বেশ ভালো পরিমানে ব্যাটারি ড্রেইন করে।
গেমটির ব্যাটারি ড্রেইন রেট ১৮৫ মেগাওয়াট।
##5. Candy Crush Saga জনপ্রিয় গেমগুলোর তালিকায় এটাও একটা।
Verizon lists অনুসার এন্ড্রয়েডের জন্য এটি একটি হাই রিক্স গেমিং এপ্স।
কিকারনে এটি হাইরিক্স তা অবস্য আমার জানা নেই। আর ব্যাটারি ডক্টর ওয়েব সাইটের মতে গেমটি সাধারনের থেকে ৩.২% দ্রুত আপনার ফোনের চার্জ নিশ্বেষ করে।
##6. Temple Run 2 অনেক আগে গেমটা খেলতাম তবে এখন আর খেলি না। কিন্তু সারা বিশ্বে অনেকের কাছেই গেমটি অনেক জনপ্রিয়। মূলত
গেমটির গ্রাফিক্স কোয়ালিটি ও গেমপ্লের কারনে এটিও একটি ব্যাটারিখোর গেম। KS Mobile’s এর টপ টেন ব্যাটারিখোর এপ্স এর মধ্যে এটি ৬ নম্বরে আছে।
##7. Fruit Ninja জনপ্রিয়তার দিকথেকে গেমটির জুরি নেই। তবে সাধারন একটা গেম হলেও এটিও বেশ ভালো ব্যাটারিখোর একটি গেম। KS Mobile’s report অনুসারে তাদের ব্যাটারিখোর তালিকার ৯ নম্বর স্থানটি ধরে রেখেছে এই গেমটি।
##8. Bejeweled Blitz পাজল গেম গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি এডিক্টিভ গেম এটি।
তবে হ্যা গেমটি যে আপনার ফোনের ব্যাটারির ১২টা বাজাচ্ছে এটা কিন্তু নিচ্শিৎ। শুধু তাই নয় Verizon lists এ গেমটিকে ইতিমধ্যে একটি হাই রিক্স গেম হিসাবে চিহ্নিত
করা হয়েছে। গেমটি প্রচুর মেগাবাইট খরচের সাথে সাথে ২.৪% দ্রুত আপনার ফোনের ব্যাটারির অায়ুও কমিয়ে ফেলে।

আমার আজকের এই টিউনটির উদ্দেশ্য কাওকে গেম খেলতে নিষেধ করা নয়। কারন এর অনেক গেম আমি নিজেও খেলেছি বা এখনও খেলি হয়তো ভবিস্বতেও খেলব।
আমার টিউনটা করার উদ্দেশ্ব শুধু সবাইকে এসব গেমের ব্যাটারি কিলিং সমন্ধে জানানো।

Tuesday, March 1, 2016

বাড়িয়ে নিন GP ইন্টারনেট এর মেয়াদ ১মাস (মাত্র ১.১৮ পয়সায়)


প্রথম বার Id টাতে Login করতে গেলাম Login হল না।ভাবলাম অনিয়মিতর জন্য Id টা হয়তো Ban হয়ে গেছে।কিন্তুFlexi Plan টা আসার পর থেকে কোন কথা না বলেই তাদের site link টা দিয়ে দিই।কিন্তু আজ ৩-৪ দিন হল Message এর প্রভাব টা একটু বেশি।এর সাথে শুনলাম নাকি Flexi plan ও change করেছে।এটা আমার অজানা ছিল।কারন Internet.org and easy net start হওয়ার পর থেকে আমি easy net দিয়েই মেয়াদ বাড়াতাম।যাই হোক কাজের কথায় আসি।easy net টা মূলত আগে কার P1 package এর মত কাজ করে।তিনটা ধাপে কাজ করতে হবে।
বিঃদ্র: একটা Step এর কাজ শেষ হলে সেটার Confirmation SMS না আসা পর্যন্ত পরের Step এ যাবেন না।
Step-1 : প্রথমে Message এ গিয়ে লিখুন Stop এবং সেটা Send করুন 5000 এ।ভয় নেয় এতে শুধু আপনার Internet service টা Off হবে।Mb ঠিকই থাকবে।(Deactivation Confirmation SMS আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন)।
Step-2 : এবার সাধারণ ভাবে Dial করুন *5000*55# এতে Easy net package চালু হবে।কোন টাকা কাটবে না।(Confirmation sms আসলে পরের ধাপে যাবেন)।
Step-3: এবার একটা ছোট Social Package কিনতে হবে এর জন্য Dial করুন *5000*8*1*1*2# এটা 2mb এর Package ১.১৮ পয়সা কাটবে।এটা Confirm হলে *566*10# dial করে দেখুন মেয়াদ বেড়ে গেছে।ধন্যবাদ!!!

পড়ালেখায় মনোযোগ নেই! এই ৭ টি কাজ করলে পড়ালেখায় মনোযোগ অনেক বেড়ে যাবে {যুগান্তর থেকে খবর পাওয়া গেছে}

পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না। এটা সবার একটা সাধারণ সমস্যা। কিন্তু ইচ্ছা না করলেও পরীক্ষা তো দিতে হবেই। তা থেকে রেহাই কারও নেই। আপনি যদি এমন কোনো রোগী হয়ে থাকেন যে আপনার পড়তে বসতে একেবারেই ইচ্ছা করছে না। এসময় পড়ায় মন বসাতে যা যা করবেন।
১. লক্ষ্য ঠিক করুন :
আপনার লক্ষ্য নিশ্চয়ই ঠিক করাই আছে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার লক্ষ্যটিকে মনে করে আবার ঝালাই করুন। আপনি চাইছেন এবারের পরীক্ষায় যে করেই হোক একটা আকাঙ্খিত পয়েন্টে নিয়ে যাবেন আপনার রেজাল্ট। এই লক্ষ্যে মটাকে একটু নিবিষ্ট করুন। দেখবেন আপনার মাঝে একটা জিদের উদ্ভব হয়েছে এবং আপনি আবারো পড়ায় মন দিতে পারছেন।
২. ক্ষুধা নিবারণ করুন :
এমন অনেক সময় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে আর পড়তে মন চায় না। এমনিতেই পড়তে বসলে একটু পর পর ক্ষুধা লাগে। এ ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন আপনার ক্ষুধা লেগেছে কিনা। যদি ক্ষুধা লেগে থাকে তাহলে তা নিবারণ করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার করে আবার পড়তে বসুন। দেখবেন এবার আপনার পড়ায় মন বসেছে।
৩. সময় সচেতন হোন :
নির্দিষ্ট মানুষের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় রয়েছে যে সময়ে পড়া খুব দ্রুত আয়ত্বে আসে। যেমন কেউ অনেক ভোরে পড়েন, কেউ সারাদিন পড়েন. কেউ আবার অনেক রাতে পড়েন। আপনার কোন সময়টাতে পড়া হয় সে সময়ে পড়তে বসুন। প্রয়োজনে একটা রুটিন তৈরি করে নিতে পারেন। যে সময়ে পড়া হয় না সে সময়ে অযথা পড়তে বসে এ্যানার্জি নষ্ট না করে ঘুমিয়ে ব্রেনটাকে বিশ্রাম দিন।
৪. গান শুনুন :
গান শুনতে সবারই অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। যদি এমন হয়ে থাকে যে আপনি হয়ত অনেকক্ষণ ধরে পড়ছেন কিন্তু এমন একটা সময় উপস্থিত যখন আর পড়া মাথায় ঢুকছে না। এমতাবস্থায় আপনি কিছুক্ষণের জন্য গান শুনতে পারেন। এর ফলে আপনি মানসিকভাবে প্রশান্তি পাবেন এবং দেখবেন পড়ায় পুনরায় মনোযোগ ফিরে এসেছে।
৫. ঘুমিয়ে নিন :
অনেকক্ষণ ধরে পড়লে মস্তিষ্কে অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক আর কাজ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনি যদি কিছুটা সময় ঘুমিয়ে নেন তাহলে ব্রেনের রিফ্রেশমেন্ট হবে। এর ফলে খুব দ্রুত আবার পড়া ক্যাচ করতে পারবে আপনার ব্রেন। এজন্য অতিরিক্ত চাপ কমাতে অবশ্যই কিছুটা ঘুমিয়ে নিন।
৬. মিষ্টি জাতীয় খাবার খান :
মিষ্টি জাতীয় খাবার দেহে যাওয়া মাত্র সারা শরীরকে সতেজ করে তোলে। এছাড়া ব্রেনের কাজ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৭. মেডিটেশন করুন :
মেডিটেশন মন ও শরীর দুইই প্রাণবন্ত করে তোলে। মেডিটেশনের ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং কাজ করা ক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়া মেডিটেশনের ফলে ব্রেন এর রিফ্রেশমেন্ট ঘটে। ফলে পড়া খুব দ্রুত মুখস্ত হয়ে যায় এবং তা বহুক্ষণ মনে থাকে।

যুক্তরাজ্যের এক ভিক্ষুকের দৈনিক আয় ৫৫,০০০ টাকা দেখুন জানবেন অনেক কিছু { প্রথম আলো থেকে }



যুক্তরাজ্যের

ভিক্ষা করে আয় করেন ৫০০ পাউন্ড বা
বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৫,০০০ টাকা। তার
বসবাসের মত যথেষ্ট সম্পদ থাকার পরেও
তিনি নিজেকে গৃহহীন দাবি করে স্থানীয়
দোকানি এবং যাত্রীদের টার্গেট করে এই
ভিক্ষাবৃত্তি চালান।
নামহীন ঐ ভিখারী পশ্চিম মিডল্যান্ডের
ওলভারহাম্পটন সিটি সেন্টারের সামনে
বসে ভিক্ষা করেন এবং তার সাপ্তাহিক
আয় ২৫০০ পাউন্ড বা ২,৭৫,০০০ টাকা বলে
জানা যায়।
তার এই করপূর্ব বার্ষিক আয় দাঁড়ায়
১,৩০,০০০ পাউন্ড বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১
কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। যা যুক্তরাজ্যের
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের
বার্ষিক বেতনের চেয়ে মাত্র ১২,০০০
পাউন্ড কম!
ওলভারহাম্পটনের পরিবেশ প্রধান এবং
নির্বাচিত কাউন্সিলর স্টিভ ইভানস বলেন,
‘ভিক্ষুকটির কাছে থাকার জন্যে যথেষ্ট
পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তারপরেও সে
নিজেকে গৃহহীন দাবি করে দোকানিদের
কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন।’
তিনি বলেন, লোকটির প্রতিদিনের আয়
৫০০ পাউন্ড এ তথ্যটি তার এক সহকর্মী
কাউন্সিলর অফিসার তাকে জানিয়েছেন।
‘আমরা জানি সে গৃহহীন নয়। নিবন্ধনকৃত
তথ্যে সে একটি ঠিকানাও দিয়েছে এবং
সেখানে সে মোটামোটি ভালো গৃহেই
বসবাস করে। তবুও ব্যস্ত সময়ে শহরের
প্রাণকেন্দ্রে তাকে দেখা যায় এবং
সারাদিনব্যাপী সেখানে অবস্থান করতেই
সে পছন্দ করে।’
‘সে বিভিন্ন শহরেও ভ্রমণ করতে পারে
এবং সে একটি ভালো পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ
করে যা আপনার আমার চেয়েও
অনেক বেশি।’
‘এটা খুবই লজ্জাজনক যে- যেখানে অনেক
মানুষের প্রকৃতভাবে সাহায্য প্রয়োজন
সেখানে কিছু ব্যক্তি আছেন যারা
মানুষের কোমলতাকে কাজে লাগিয়ে
সুবিধা গ্রহণ করেন। আমি এটা গ্রহণযোগ্য
বলে মনে করি না। ’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘ভিখারী ব্যক্তিটি
শহরের দয়ালু হৃদয়ের মানুষদের টার্গেট
করেন, যেখানে এই শহরের মানুষদের
বার্ষিক গড় আয় ২০,০০০ পাউন্ড।’
তিনি বলেন, অধিকাংশ ভিখারী গৃহহীন
নয়, বরং তারা ভিক্ষা করে মাদক সেবনের
জন্য।

Tuesday, February 16, 2016

ফরিদপুরে পিক্সেলার

ফরিদপুরে পিক্সেলার

পিক্সেলারের লোগোফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠান পিক্সেলার যাত্রা শুরু করেছে ফরিদপুরে। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি ফরিদপুরে গ্রাফিকস ডিজাইনের ওপর প্রশিক্ষণ দেবে। প্রতিষ্ঠানটির দক্ষ প্রশিক্ষকেরা ফরিদপুরে এ সংক্রান্ত কোর্স পরিচালনা করবে।
পিক্সেলারের প্রধান নির্বাহী হাসানুজ্জামান রুবেল বলেন, ফরিদপুরে দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার তৈরির উদ্যোগ হিসেবে সেখানে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্বল্প খরচে এই প্রশিক্ষণ পাবেন আগ্রহীরা। প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে একটি কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করেছে পিক্সেলার।
পিক্সেলারের ওয়েবসাইট (www.institute.pixelrr.com) ও প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে।

শিখিয়া করিও কাজ

শিখিয়া করিও কাজ

‘আউটসোর্সিং’, ‘ফ্রিল্যান্স’, ‘আয় করুন বৈদেশিক মুদ্রা ঘরে বসেই’ ইত্যাদি শব্দ বা বাক্যের সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম। এই বিষয়গুলো নানা সময় নানাভাবে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়ে থাকে। তরুণদের অনেকেই মনে করেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করলেই বুঝি কাঁড়ি কাঁড়ি ডলার আসতে থাকবে। কিন্তু আউটসোর্সিংয়ের কাজে সাফল্যের খবর যেমন জানা যায়, ব্যর্থতার খবর তেমন নয়। প্রকৃতপক্ষে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ে ব্যর্থতার ঘটনা অনেক বেশি। কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন ছাড়া অনলাইনে আয় করা সম্ভব নয়। শুরুর আউটসোর্সিং বিষয়টা সম্পর্কে জানতে হবে। লিখেছেন নাসির খান
ফ্রিল্যান্সার
ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবী এমন একজন যিনি নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যুক্ত না থেকেই কাজ করেন। একজন ফ্রিল্যান্সার এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা পড়ালেখার পাশাপাশিও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অন্যান্য কাজ করতে পারেন।
অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ে এখন অনেকেরই আগ্রহ। এ কাজ শুরুর আগে দক্ষ হতে হবে। মডেল: স্বর্ণ, ছবি: সুমন ইউসুফআউটসোর্সিং
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন তার নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি আউটসোর্সিং। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ আউটসোর্স করা হয়ে থাকে। এই কাজগুলো অপর কোনো প্রতিষ্ঠান করতে পারে অথবা একজন ফ্রিল্যান্সারও কাজটা করে দিতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো আউটসোর্স করার অনেক ধরনের কারণ রয়েছে, দক্ষ লোককে দিয়ে কাজ করানো, কম মজুরির হার, কম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা, সামগ্রিক ব্যয় কমানো, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্যান্য কাজে নিয়োগ করাসহ আরও কারণ রয়েছে।
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত) যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। আবার আউটসোর্সিং মানেই সব সময় যে অনলাইনে কাজ করা এমন নয়। ধরা যাক একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শার্ট তৈরি করা হয় এবং শার্টের বোতামগুলো এই কারখানায় তৈরি করা হয় না। এগুলো সরবরাহ করা হয় অপর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। অর্থাৎ তৈরি পোশাক কারখানাটি বোতাম তৈরির আলাদা ব্যবস্থা না রেখে অন্য কারখানা থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারে।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পাওয়ার পদ্ধতি
ইন্টারনেটে বেশ কিছু মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীরা এখানে নিয়মিত কাজ করছেন। আবার বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা মার্কেটপ্লেসও রয়েছে। এই বাজারে কাজগুলোর বর্ণনা থাকে এবং যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী তাঁরা কাজটি কত সময়ের মধ্যে এবং কত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে করতে পারবেন তা উল্লেখ করে আবেদন করবেন। এরপর আলোচনার মাধ্যমে যিনি কাজটি করাবেন তিনি কোনো একজনকে নির্বাচন করবেন।
অনলাইন মার্কেটগুলোতে কাজের বর্ণনা সাধারণত ইংরেজিতে দেওয়া থাকে। অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা জানেন এবং ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে, পৃথিবীর এমন যে কেউই এই কাজগুলো করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন করলেই কাজ পাওয়া যাবে এমন না, এটি প্রায় সম্পূর্ণভাব নির্ভর করে দক্ষতার ওপর। দক্ষতা ছাড়া কাজের জন্য আবেদন করা হলে হয়তো কখনো যোগাযোগই করা হবে না।
অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ৫০০-এরও বেশি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। যে বিষয় নিয়েই কাজ করা হোক না কেন, ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। কাজের জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে কাজ পাওয়া, কাজের বিভিন্ন ধাপে এবং সম্পন্ন করার পর পর্যন্ত কাজদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। যোগাযোগের দুর্বলতা থাকলে কোনো কারণে কাজ পাওয়া গেলেও নিয়মিতভাবে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।
কাজ শেখা ও দক্ষতা অর্জন
‘আলাদাভাবে শেখার প্রয়োজন নেই, কাজ করতে করতে শেখা হবে’—ধারণাটি এ ক্ষেত্রে ভুল। কাজ শুরু করার আগে বিষয়টি সম্পর্কে সর্বোচ্চ দক্ষতা না থাকলেও অবশ্যই কাজটি সম্পন্ন করার মতো জ্ঞান থাকতে হবে। কাজের মাধ্যমে শেখা শুরু করলে প্রায় কখনোই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করা যায় না। নিজের আগ্রহ কোন দিকে রয়েছে, সেটা বুঝতে হবে প্রথমে এবং এরপর সেই বিষয়সংশ্লিষ্ট কাজগুলো খুঁজে বের করতে হবে মার্কেট থেকে। কাজের বর্ণনায় লেখা থেকেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কী কী বিষয় শেখা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
কাজ শেখার সব থেকে বড় উৎস হলো ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব এবং এখান থেকেই শেখা শুরু করা যেতে পারে। অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রায় সব বিষয় সম্পর্কেই জানা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা করা হলে ধীরে ধীরে বিষয়টি সম্পর্কে দক্ষ হয়ে ওঠা সম্ভব। পাশাপাশি শেখার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে বা কোনো কোর্স করার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ পাওয়া শুরু হয়ে যাবে এমন নয়। নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। আবার প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও, পাশাপাশি নিজের আলাদাভাবে শেখার কাজটি চালিয়ে যেতে হয়।
আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার ফলেই পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা না থাকলে কাজ পাওয়া বা উপার্জনের আশা করাটা ভুল। কত কম সময়ের মধ্যে কত বেশি পরিমাণ উপার্জন সম্ভব, এমন লক্ষ্যের পেছনে দৌড়ালে জয়লাভ করা যাবে না। দক্ষতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে কাজ পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করতে হবে।

চলন্ত গাড়ি হ্যাক


চলন্ত গাড়ি হ্যাক

চলন্ত গাড়ি হ্যাক করতে সক্ষম হয়েছেন সাইবার গবেষকেরা।ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধার চলন্ত গাড়ি হ্যাক করে দূর থেকে তার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব। দুজন সাইবার নিরাপত্তা গবেষক সম্প্রতি তা করে দেখিয়েছেন। চালু অবস্থায় ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়ার নিয়ন্ত্রিত এই পরীক্ষা সফল হওয়ায়, ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধার গাড়ির নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট উইয়ার্ড ডটকমের এক প্রতিবেদকের গাড়ি হাইওয়েতে চলা অবস্থায় তা পরীক্ষামূলকভাবে হ্যাক করে দেখান যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক হ্যাকার শার্লি মিলার ও আইওঅ্যাকটিভ নামের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের গবেষক ক্রিস ভ্যালাসেক। তাঁরা ফিয়াট ক্রিসলার টেলিমেটিকস সিস্টেম ইউকানেক্ট ফিচারটি ব্যবহার করে এ পরীক্ষা চালান। পরীক্ষার সময় গাড়ির চেরোকি রেডিও সিস্টেমটি চালু করেন এবং গাড়ির অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় ফিচার সক্রিয় করার আগে তারা এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমের হার্ডওয়্যার কোড রিরাইট করেন। এর মাধ্যমে গাড়ির স্টিয়ারিং, ব্রেক ও ইঞ্জিনের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কে কমান্ড পাঠান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মিলনার বলেন, ‘হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো গাড়ি এই মুহূর্তে রাস্তায় চলাচল করছে।’
ইতালির গাড়ি নির্মাতা ফিয়াট ক্রিসলার জানিয়েছে, তাদের গাড়িতে যে বাগ বা সফটওয়্যার ত্রুটি ধরা পড়েছে তার জন্য নিরাপত্তা প্যাঁচ উন্মুক্ত করেছে। কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে তা হালনাগাদ করে নেওয়া যাবে।
ফিয়াট কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটের মতো উন্নত নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য গাড়ির সফটওয়্যারও হালনাগাদ করা প্রয়োজন। এতে গাড়ির সিস্টেমে অনাকাঙ্ক্ষিত হ্যাকের ঝুঁকি এড়ানো যাবে।
গাড়ির নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন মিলার ও ভ্যালাসেক। মিলার ও ভ্যালাসেক বলেন, গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে তাঁরা ইতালির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁরা গাড়ির জন্য নিরাপত্তা প্যাঁচ তৈরিতে কাজ করেছেন।
আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য ডেফ কন সিকিউরিটি সম্মেলনে তাঁরা এ সংক্রান্ত নিবন্ধ উপস্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁদের দাবি, গাড়ির এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম হ্যাক করার পর সেখান থেকে গাড়ির মূল নেটওয়ার্কে হামলা করার পদ্ধতিটি জটিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে লেগে থাকলে তা হ্যাক করে ফেলা সম্ভব।
গবেষকেদের দাবি, ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধার গাড়ি নির্মাতাদের নিরাপদ গাড়ি তৈরিতে আরও পরিশ্রম করতে হবে এবং সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখতে হবে।

গাড়িতে গরিলা গ্লাস

গাড়িতে গরিলা গ্লাস

ফোর্ডের তৈরি গরিলা গ্লাসযুক্ত গাড়িকর্নিয়ের তৈরি গরিলা গ্লাস কোটি কোটি মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো গাড়ির ওজন কমাতে ও জ্বালানি খরচ কমাতে গাড়িতে এ গ্লাসের ব্যবহার শুরু করেছে।
গত বছরে বিএমডব্লিউ এজি গাড়িতে প্রথম গরিলা গ্লাস ব্যবহার করেছিল। বিএমডব্লিউ আই ৮ হাইব্রিড স্পোর্টস কারে ইনটেরিয়র প্যানেল তৈরিতে এই গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছিল। এবারে ফোর্ড মোটর কর্তৃপক্ষ তাদের ফোর্ড জিটি স্পোর্টস কারের উইন্ডশিল্ডে ও পেছনের জানালায় গরিলা গ্লাস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জিটির ইঞ্জিন কভারেও গরিলা গ্লাসের ব্যবহার হয়েছে। আগামী বছর থেকে এই গাড়ি বিক্রি শুরু করবে ফোর্ড।
ফোর্ডের গাড়ির বর্হি কাঠামো এক্সটেরিয়র বিভাগের কর্মকর্তা পল লিনডেন বলেন, ১৯২৩ সালের পর থেকে গ্লাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি নতুন একটি বিষয়। ১৯২৩ সালে হেনরি ফোর্ড টি মলেডের গাড়িতে গ্লাস ব্যবহার শুরু করেন।
প্রচলিত উইন্ডশিল্ড তৈরিতে দুই স্তরের অ্যানিয়ালেড গ্লাস ব্যবহার করা হয়। এ দুই স্তরের গ্লাসের মাঝে একটি পাতলা প্লাস্টিকের স্তর থাকে। অ্যানিয়ালেড গ্লাস যখন ভেঙে যায় তখন মাকড়সার জালের মতো দেখায় এবং প্লাস্টিকেরও ওই স্তরে আটকে থেকে আরোহীকে আহত হওয়া রোধ করতে পারে।
ফোর্ডের গবেষকেরা বলছেন, গাড়ির উইন্ডশিল তৈরিতে তাঁরা বাইরের স্তরে অ্যানিয়ালেড গ্লাস ও মাঝে প্লাস্টিকের স্তর রেখেছেন। তবে ভেতরের স্তরটিতে তাঁরা কর্নিয়ের গরিলা গ্লাস ব্যবহার করেছেন। এতে উইন্ডশিল্ড হালকা ও পাতলা হয়েছে। ফোর্ড কর্তৃপক্ষের দাবি, গরিলা গ্লাস ব্যবহারে উইন্ডশিল্ড ৩২ শতাংশ হালকা হয়েছে। গাড়ির জ্বালানি খরচ কমিয়ে গাড়িকে নিয়ন্ত্রণে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে এটি।
কর্নিয়ের দাবি, এ গ্লাস যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। গাড়ি নির্মাতারা অসমতল রাস্তা ও বাতাসের মধ্যে এ গ্লাস নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে যাতে দেখা গেছে প্রচলিত গ্লাসের চেয়ে গরিলা গ্লাস বেশি মজবুত। গাড়িতে পাথর ছুড়ে দেখা গেছে অ্যানিয়ালেড গ্লাস ভেঙে গেলেও গরিলা গ্লাস সহজে ভাঙে না। অবশ্য গরিলা গ্লাস সব জায়গায় কাজ করে না। গাড়ির পাশের জানালায় গাড়ি নির্মাতারা সাধারণত টেম্পারড গ্লাস ব্যবহার করেন। কারণ এ গ্লাস ভঙ্গুর হওয়ায় কোনো দুর্ঘটনায় পড়লে দ্রুত আরোহী সেখান দিয়ে বের হতে পারেন।
কর্নিয়ের গাড়ির গ্লাস ব্যবসার পরিচালক ডাগ হ্যাসবার্গার বলেন, পুরো গাড়িতে গরিলা গ্লাস ব্যবহারের জন্য বিকল্প উপায়ে গ্লাস তৈরির কথা ভাবছে কর্নিং।
২০০৭ সাল থেকে কনজুমার ইলেকট্রনিকস শিল্পে কর্নিয়ের তৈরি গরিলা গ্লাস ব্যবহৃত হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে ফোর্ড ও কর্নিং গাড়ির গ্লাস তৈরির জন্য কাজ শুরু করে। হ্যাসবার্গার বলেন, ফোর্ড ছাড়াও অন্যান্য গাড়ি নির্মাতাদের সঙ্গে গরিলা গ্লাস নিয়ে কাজ করছে কর্নিং।

বিশ্বের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি ‘ব্লেড’


বিশ্বের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি ‘ব্লেড’

ব্লেড নামের থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি তৈরি করছে মার্কিন একটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান।যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাইভারজেন্ট মাইক্রোফ্যাক্টরিজ ‘ব্লেড’ নামের একটি থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি তৈরি করছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটাই বিশ্বের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড গাড়ি। আজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
থ্রিডি প্রিন্টিং বা ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে ডিজিটাল মডেল থেকে অনুরূপ আকৃতির ত্রিমাত্রিক কঠিন বস্তু তৈরি করা হয়। সাধারণ প্রিন্টারে কালি ব্যবহৃত হলেও থ্রিডি প্রিন্টারে যে ধাতু দিয়ে বস্তু তৈরি করা হবে সে ধাতব কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডাইভারজেন্ট মাইক্রোফ্যাক্টরিজের তৈরি ব্লেড নামের প্রোটোটাইপ এই সুপারকার গাড়ি উৎপাদনের বিষয়টিকেই বদলে দিতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার কেভিন সিনজার দীর্ঘদিন ধরেই গাড়ি নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত।
তাঁর কাছে মনে হয়েছে, আধুনিক গাড়ি যতই জ্বালানি সাশ্রয়ী বা ধোঁয়া নির্গমন পাইপ নিয়ে তৈরি করা হোক না কেন গাড়ি উৎপাদনের এই ব্যবসা পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিজনার বলেন, ধাতব পদার্থের থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি গাড়ি নির্মাণের পুরো প্রক্রিয়াটি বদলে দিতে পারে। নির্দিষ্ট মডুলার কাঠামো তৈরি করে এবং তা একত্রে জুড়ে গাড়ি তৈরি করা যেতে পারে। এখন যেভাবে গাড়ি তৈরি করা হয় তাতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরিতে পরিবেশের ক্ষতি হয় না।
‘ব্লেড’ গাড়ি তৈরি প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী ব্র্যাড ব্লাজার বলেন, ‘গাড়ির জন্য যে থ্রিডি প্রিন্টেড চ্যাসিস বানানো হয়েছে তার ওজন ১০২ পাউন্ড যা ইস্পাত দিয়ে তৈরি চ্যাসিসের মতোই মজবুত ও নিরাপদ। ইস্পাত বা অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে এই চ্যাসিস তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কার্বন ফাইবার। এতে পুরো গাড়ির ওজন কমে ৬৩৫ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত হয়েছে ৭০০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন যা গ্যাসেও চালানো যায়।
ব্লাজার বলেন, পরিবেশবান্ধব দ্রুতগতির সুপারকার তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে প্রটোটাইপ এই ব্লেড গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ডিজিটাল অনুরূপ থেকে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) কঠিন বস্তু হুবহু তৈরি করতে পারে এই বিশেষ প্রিন্টার। যন্ত্রাংশ উৎপাদন শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে এই প্রযুক্তি। কিডনি থেকে শুরু করে বন্দুক, গাড়ি, কৃত্রিম হাত-পা সংযোজন, শিল্পকর্মের প্রতিরূপ (রেপ্লিকা) তৈরির মতো কাজে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির ব্যবহারে আগামী কয়েক দশকে আমাদের জীবনযাত্রায় অভাবনীয় পরিবর্তন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যেভাবে কাজ করে
১. কম্পিউটার-সহায়ক সফটওয়্যার ব্যবহার করে একটি থ্রিডি ছবি তৈরি করা হয়।
২. প্রিন্টারে সিএডি ফাইল পাঠানো হয়।
প্লাস্টিক ফিলামেন্টে মোটরের মাধ্যমে প্লাস্টিক গলিয়ে একটি সরু মুখ (নজল) দিয়ে বের করা হয়।
৩. প্রিন্টারটি তরল, গুঁড়া, কাগজ বা ধাতব বস্তুর স্তর তৈরি করে এবং পর্যায়ক্রমে একটি কাঙ্ক্ষিত বস্তুর অনুরূপ গঠন করে।

গাড়ির বাজারে ঢুকছে স্যামসাং


চালকবিহিন গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে স্যামসাংচালকবিহিন গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে স্যামসাংচালকবিহীন বা স্বয়ংক্রিয় গাড়ি প্রযুক্তির দুনিয়ায় পা রাখতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। ৮ ডিসেম্বর বুধবার গাড়ির যন্ত্রাংশ, স্বয়ংক্রিয় গাড়ির প্রযুক্তি ও বিনোদন সিস্টেম তৈরির জন্য একটি টিম তৈরির ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্যামসাংয়ের ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি ব্যবসার ভাইস চেয়ারম্যান উন ওহ-উন নতুন টিমটির নেতৃত্ব দেবেন।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্মার্টফোনের ব্যবসায় লাভ কমে আসায় নতুন ব্যবসা খুঁজে বের করার চাপে ছিল স্যামসাং। এরপর গাড়ির যন্ত্রপাতি তৈরিতে নামার ঘোষণা এল। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে অটোমোবাইল শিল্পে আগ্রহ দেখানো শুরু করেছে এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেছে।
গত ছয় বছর ধরে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে গুগল। কারপ্লে নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছে অ্যাপল। এত দিন পর্যন্ত এ বিষয়টি নিয়ে চুপচাপ ছিল স্যামসাং। ১৯৯০ সাল থেকে স্যামসাংয়ের গাড়ি তৈরির ব্যবসা ছিল। তবে ১৯৯৭ সালে এশিয়ার আর্থিক সমস্যায় ওই উদ্যোগটি দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে স্যামসাংয়ের এসডিআই বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ও স্যামসাং ইলেকট্রো-মেকানিকস বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ তৈরিতে কাজ করছে।

Saturday, February 13, 2016

প্রিমো জেডএক্স টু মিনি : ৩ জিবি র‍্যামের সাশ্রয়ী ফ্ল্যাগশিপ ফোন

প্রিমো জেডএক্স টু মিনি : ৩ জিবি র‍্যামের সাশ্রয়ী ফ্ল্যাগশিপ ফোন
সাশ্রয়ে উন্নত কনফিগারেশনের স্মার্টফোন দিয়ে দেশের বাজার মাতিয়ে রেখেছে চীন ও তাইওয়ানভিত্তিক হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যেসব দেশীয় প্রতিষ্ঠান শক্তপোক্তভাবে ঠেক্কা দিয়ে থাকে তার মধ্যে ওয়ালটন অন্যতম। বাজারে প্রতিষ্ঠানটির ‘প্রিমো জেডএক্স’ সিরিজের ফোনের গ্রাহকপ্রিয়তা বেশ। আর সেজন্য এই সিরিজের ‘প্রিমো জেডএক্স টু মিনি’ নামের একটি ডিভাইস এনেছে সংশ্লিষ্টরা।
 
উচ্চ প্রযুক্তি ও আকর্ষণীয় ফিচারের নতুন এই ফ্লাগশিপ স্মার্টফোনটি মিলবে ২০ হাজার ৯৯০ টাকায়। গোল্ডেন, লিকুইড সিলভার ও স্লেট গ্রে- এই তিনটি রঙে পাওয়া যাবে প্রিমো জেডএক্স টু মিনি।
 
৬.৯ মিমি পুরুত্ব ও ১৪৭ গ্রাম ওজনের এই স্মার্টফোনের বডি মেটাল ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে। অভিজাত লুক আনতে এর ডিজাইন করা হয়েছে পিওর অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করে সিএনসি (কম্পিউটার নিউমেরিক্যালি কন্ট্রোল) পদ্ধতিতে।
 
অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্টফোনটিতে রয়েছে সুপার অ্যামোলেড প্রযুক্তির ৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের এইচডি (১২৮০ বাই ৭২০ রেজ্যুলেশন) ডিসপ্লে। এতে মাল্টি টাচ সুবিধায় হাতের দশ আঙুল পরিচালনা করা যাবে। ডিসপ্লে সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়েছে তৃতীয় প্রজন্মের কর্নিং গরিলা গ্লাস।
 
থ্রিজি ও টুজি প্রযুক্তির পাশাপাশি স্মার্টফোনটি সর্বাধুনিক ফোরজি এলটিই প্রযুক্তি সমর্থন করে। ডুয়াল সিম স্লট সুবিধার হ্যান্ডসেটটির একটি সিম স্লটে মাইক্রো সিম এবং আরেকটি সিম স্লটে ন্যানো সিম কার্ড বা মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
 
প্রসেসর হিসেবে এতে রয়েছে ৬৪ বিট ১.৩ গিগাহার্জ এআরএম করটেক্স-এ৫৩ অক্টা কোর প্রসেসর, গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মালি টি৭২০, মেমোরির ক্ষেত্রে রয়েছে দ্রুতগতির ৩ জিবি র‍্যাম, ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরও ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত স্টোরেজ ব্যবহারের সুবিধা।
 
‘প্রিমো জেডএক্স টু মিনি’ স্মার্টফোনটিতে রিয়ার ক্যামেরার ক্ষেত্রে রয়েছে অটোফোকাস ও এলইডি ফ্ল্যাশ সুবিধাসহ বিসিআই সেন্সরযুক্ত ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। যার অ্যাপাচার সাইজ এফ২.০। রিয়ার ক্যামেরার ফিচার হিসেবে রয়েছে ফেস ডিটেকশন, ডিজিটাল জুম, সেল্ফ টাইমার, অটো ফোকাস, টাচ ফোকাস, জিও-ট্যাগিং ও টাচ শট। আল্ট্রা পিক্সেল মোড অপশনটির সাহায্যে ৬৫ মেগাপিক্সেল রেজুলেশ্যনের ছবি তোলা যাবে। ফলে দূরের অস্পষ্ট বিষয় স্পষ্টভাবে দেখা যাবে ছবিতে। ভিডিও কল ও সেলফির জন্য রয়েছে বিসিআই সেন্সরের ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।
 
রিয়ার ক্যামেরার সাহায্যে ফুল এইচডি (১৯২০ বাই ১০৮০) ভিডিও ধারণ এবং ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে এইচডি (১২৮০ বাই ৭২০) ভিডিও ধারণ ধরা যাবে। গান শোনা ও মুভি দেখায় রয়েছে ডিটিএস মিউজিক সিস্টেম। ফলে অনেক বেশি জীবন্ত ও পরিস্কার শব্দানুভূতি পাওয়া যাবে।
 
দ্রুত গতিতে ডাটা ট্রান্সফারের জন্য আধুনিক ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট সুবিধা সহ ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ভার্সন ৪, হট নক, ওয়্যারলেস ডিসপ্লে শেয়ারিং, ওয়াই-ফাই হটস্পট, ওটিএ, ওটিজি সুবিধা রয়েছে।
 
দীর্ঘ সময় ব্যাকআপের জন্য এতে ৩১৫০ এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি রয়েছে। ব্যাটারির চার্জ সাশ্রয়ে পাওয়ার সেভিং মোড ছাড়াও রয়েছে এক্সট্রিম পাওয়ার সেভিং মোড।

Friday, February 12, 2016

১১০ বিলিয়ন ডলারের গেমের বাজারে ঢোকার চেষ্টা চলছে

 ১১০ বিলিয়ন ডলারের গেমের বাজারে ঢোকার চেষ্টা চলছে
 বেসিস আয়োজিত ‘গেমস ডেভেলপমেন্ট: অপরচুনিটি ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গেমের বাজার ১১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বিশাল এই বাজারে প্রবেশের জন্য কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সাড়াজাগানো বেশ কিছু গেম তৈরি করেছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশি ডেভেলপারদের তৈরি এসব গেম কয়েক মিলিয়ন ডাউনলোডের রেকর্ডও রয়েছে। সম্ভাবনাময় এই বাজারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) আয়োজিত বিশেষ কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
গতকাল শনিবার বেসিস অডিটোরিয়ামে ‘গেমস ডেভেলপমেন্ট: অপরচুনিটি ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই কর্মশালার সহযোগিতায় ছিল বেসিসের মোবাইল অ্যাপস, গেমস অ্যান্ড ভাস-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ও মোবাইল মানডে। কর্মশালায় আলোচক হিসেবে ছিলেন ম্যাসিভস্টার স্টুডিও লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী এস এম মাহাবুব আলম, ট্যাপস্টার ইন্টার‍্যাক্টিভ সফটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী এ কে এম মাসুদ ও স্কাই ট্যাপারের টেকনিক্যাল প্রধান শফিউর রহমান।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, গেম ও গেম অ্যাপ তৈরিতে বাংলাদেশের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের জনবল ও বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। শিক্ষার্থীরাও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় এই খাতে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
কর্মশালায় বাংলাদেশের গেম উন্নয়ন খাতের লক্ষ্য, বেসিক গেমিং, গেম ডেভেলপম্যান্ট, অ্যানিমেশন, সাউন্ড এফেক্ট, পোস্ট এফেক্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালায় শতাধিক অংশগ্রহণকারী গেম তৈরি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, আইডিয়া তৈরি থেকে এর উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা পান।

মহাবিশ্বের অনেক রহস্যের কিনারা হতে পারে

মহাবিশ্বের অনেক রহস্যের কিনারা হতে পারে
আলবার্ট আইনস্টাইন
কল্পনা করুন, মহাশূন্যে দুটি কৃষ্ণগহ্বর একে অপরকে প্রদক্ষিণ করছে। 
একটির ভর আমাদের সূর্যের চেয়েও ৩৫ গুণ বেশি, আরেকটির প্রায় ৩০ গুণ। পরস্পরের সঙ্গে মিলে যাওয়ার আগে তারা অবিশ্বাস্য গতিতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় শতবার ঘুরতে থাকে।
 তারপর তাদের ‘ঘটনা দিগন্ত’ বা ইভেন্ট হরাইজনগুলো একাকার হয়ে যায়। ঠিক সাবানের ফেনার দুটি বুদ্বুদ মিলে এক হয়ে যাওয়ার মতো।
দুই কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষের মাধ্যমে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টির বিষয়টিকে একজন বিশেষজ্ঞ এভাবেই সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন। 

ওই মহাকর্ষীয় তরঙ্গকেই শনাক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজারভেটরির (লিগো) বিজ্ঞানীরা। কয়েক দশকের চেষ্টার পর এবারই প্রথমবারের মতো এ সাফল্য পেলেন তাঁরা।
কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল বলতে মহাশূন্যের সেই স্থানকেই বোঝায়, যেখানকার অতি শক্তিশালী অভিকর্ষের কারণে কোনো বস্তুই বেরিয়ে আসতে পারে না, এমনকি আলোও।
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার এই ঘটনা বিজ্ঞানীমহলে আলোড়ন তুলেছে। 

একে অনেকেই বলছেন শতাব্দীর সেরা আবিষ্কার। বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এ ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এতে মহাবিশ্বকে আরও ভালো করে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। 
 বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও ধারাবাহিক পরিবর্তন, কৃষ্ণগহ্বর ও নিউট্রন তারকা সম্পর্কে অনেক রহস্যই হয়তো আগামী দিনে উন্মোচিত হবে এই আবিষ্কারের সূত্র ধরে। 
যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বি এস সত্যপ্রকাশ বলেন, ‘আমরা এখন মহাবিশ্বকে শুনতে পাব, আগের মতো কেবল তাকিয়ে দেখার মধ্যেই সীমিত থাকতে হবে না।’
লিগোর নির্বাহী পরিচালক ডেভিড রাইৎজা ও তাঁর সহকর্মীরা একে তুলনা করেছেন চার শতাব্দী আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্র (টেলিস্কোপ) ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার সূচনা করার কৃতিত্বের সঙ্গে।

 এর আরেকটি বড় তাৎপর্য হচ্ছে, মহাজাগতিক সংঘর্ষ এবং তা থেকে তরঙ্গ সৃষ্টি হওয়ার বিষয়ে জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন ১০০ বছর আগে যে অনুমান করেছিলেন, তার অভ্রান্ততাই নিশ্চিত হলো।
তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের চেয়ে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ অনেক ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের। এত দিন পর্যন্ত গবেষকেরা মহাবিশ্বকে তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের ধারণা নিয়েই বিবেচনা করেছেন। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার ফলে তাঁরা নতুন দিশা পেলেন।
পৃথিবী থেকে ১ হাজার ৩০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে দুটি কৃষ্ণগহ্বরের ওই সংঘর্ষের ফলে যে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছিল, তার ঢেউ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাসতে ভাসতে আমাদের পৃথিবীতে পৌঁছায় গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর।

 আলো সেকেন্ডে ১ লাখ ৮৬ হাজার মাইল গতিতে চলে এক বছরে যত দূর যায়, তা-ই এক আলোকবর্ষ দূরত্ব। ভূগর্ভে স্থাপিত সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির সাহায্যে ওই তরঙ্গ শনাক্ত করেন লিগোর বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন জানায়, ওই বিজ্ঞানীদের সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে অন্য গবেষকদের মাধ্যমে পর্যালোচনার কাজে কয়েক মাস লেগে যায়। ওয়াশিংটনে যুগান্তকারী এ আবিষ্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার।

আয় কম, ব্যয়ও কম

.
সরকারের আয় আকাঙ্ক্ষার চেয়ে কম হচ্ছে। এটা দুশ্চিন্তার বিষয়। কিন্তু মন্দের ভালো, সরকারের ব্যয়ও কম হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চলতি অর্থবছরের বাজেট ব্যবস্থাপনায় খুব বেশি সমস্যায় পড়বে না সরকার। বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণেই থাকতে পারে।
সবচেয়ে বড় রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠান হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে সরকারের অন্যতম বড় খরচের জায়গা হলো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)। সাত মাস (জুলাই-জানুয়ারি) শেষে বাস্তবায়ন মাত্র ২৮ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ২৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।
বাজেট ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা মো.¯ আজিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কৃতিত্ব নয়, আয়-ব্যয় পরিস্থিতির কারণে বাজেট ব্যবস্থাপনা সুসংহত আছে। তাই বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাঁর মতে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন প্রায় অসম্ভব। আবার এডিপি বাস্তবায়নও গতানুগতিক।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশের জোগান দেবে এনবিআর। এনবিআরবহির্ভূত কর ও কর ব্যতীত রাজস্ব থেকে আসবে আরও প্রায় ১১ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বিদেশি সহায়তা দিয়ে বাজেট ঘাটতি মেটানো হবে।
অন্যদিকে সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বা এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই উন্নয়ন ব্যয় করে। এবার মোট বাজেটের এক-তৃতীয়াংশের সমান এডিপি। বাকি অর্থ খরচ করে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা, দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধে। আয় না করলেও সরকারকে এ অনুন্নয়ন ব্যয় করতেই হয়।
রাজস্ব: এবার এনবিআরকে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য অর্জনের পথে বছরের শুরু থেকেই পিছিয়ে রয়েছে এনবিআর। কোনো মাসেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়নি, রাজস্ব ঘাটতি ক্রমশ বেড়েছে। ছয় মাস শেষে (জুলাই-ডিসেম্বর) রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে নয় হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৬৮ হাজার ৮৩ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে। এ সময়ে আদায় লক্ষ্য ছিল ৭৭ হাজার ৯৮ কোটি টাকা।
তবে রাজস্ব আদায়ে গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গতবার একই সময়ে ৫৯ হাজার ৯৫ কোটি টাকা আদায় হয়েছিল।
গতকাল বুধবার এনবিআর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান রাজস্ব লক্ষ্য অর্জন হবে বলে আশা করেন। তিনি বলেন, ‘রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি। প্রতিবছরই প্রথম ছয় মাসে ৩৫-৪০ শতাংশ রাজস্ব লক্ষ্য অর্জিত হয়। এ বছর ৩৯ শতাংশ হয়েছে।’
এডিপি: স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ব্যয়সহ চলতি অর্থবছরে ১ লাখ ৯৯৭ কোটি টাকার এডিপি নিয়েছে সরকার। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) মাত্র ২৮ শতাংশ খরচ করেছে, যা বিগত ছয় অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জুলাই-জানুয়ারি সময়ে টাকার অঙ্কে ২৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
অর্থবছরের অর্ধেকের বেশি পেরিয়ে গেলেও ১৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বরাদ্দের ২০ শতাংশ বা এর কম অর্থ খরচ করেছে। এগুলো হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ।

স্যাটেলাইটের তোলা ছবি ২০ মিনিটেই পাবে পৃথিবী

স্যাটেলাইটের তোলা ছবি ২০ মিনিটেই পাবে পৃথিবী



.
পৃথিবীর ওপরের কক্ষপথে লেজার রশ্মির সাহায্যে একটি যোগাযোগব্যবস্থা বা নেটওয়ার্ক চালু করেছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)। এর মাধ্যমে স্যাটেলাইটে তোলা ছবি ২০ মিনিটের মধ্যে পৃথিবীতে পাঠানো সম্ভব হবে।
ইএসএ প্রথম দফায় ওই নেটওয়ার্কের আওতায় টেলিযোগাযোগের জন্য কাজাখস্তানের বৈকনুর থেকে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) গতকাল শনিবার উৎক্ষেপণ করেছে।
স্যাটেলাইটটি মহাকাশযানের তোলা পৃথিবীর ছবি ওই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে পাঠাবে। এতে বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে আরও দ্রুত জানা যাবে। ফলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া আরও সহজ হবে।
প্রচলিত ব্যবস্থায় পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইটগুলোর তোলা ছবি ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে।

 কারণ, একটি গ্রহীতা ডিশ অ্যান্টেনার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ই মহাকাশযান তার তোলা ছবিগুলো পাঠাতে পারে। আর প্রতি ৯০ মিনিটে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করার সময় মাত্র ১০ মিনিটের জন্য ওই অ্যান্টেনার দেখা মেলে।
ইএসএ সম্প্রতি পৃথিবী পর্যবেক্ষণের জন্য দুটি স্যাটেলাইট চালু করেছে। এগুলোতে আলোকচিত্র পাঠানোর সরঞ্জাম যুক্ত রয়েছে। এগুলো লেজার নেটওয়ার্কের আওতায় নতুন স্যাটেলাইটটির সাহায্যে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করতে পারবে।
ইএসএর অংশীদার এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস পরীক্ষা করে দেখেছে, স্যাটেলাইটে ছবি তোলার ২০ মিনিটের মধ্যে সেগুলো নতুন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছে পাঠানো সম্ভব হবে। 

ফলে দূষণের নানা ঘটনা বা অবৈধভাবে মাছ ধরা বা সমুদ্রে চোরাচালান ইত্যাদি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে সময় বাঁচবে এবং সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও বাড়বে।
ইএসএর টেলিযোগাযোগ শাখার পরিচালক মাগালি ভেসিয়ের বলেন, উত্তর মেরু এলাকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ভারী বরফপ্রবাহের কারণে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন হয়।

 স্যাটেলাইটের পর্যবেক্ষণের তথ্য-উপাত্ত সেখানে দুই দিন পরে পৌঁছালে বলতে গেলে কোনো কাজেই লাগে না। নতুন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে।
ইএসএর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাইকেল উইটিং বলেন, তাঁরা এ নেটওয়ার্ক গড়ার জন্য ১০ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। এ ব্যবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে ১ দশমিক ৮ গিগাবাইট পর্যন্ত তথ্য-উপাত্ত পাঠানো সম্ভব।