Sign Up To The Free Email Newsletter!

Want to get notified whenever we produce the latest content ? Then subscribe now to start receiving hot updates from today.

Showing posts with label হ্যাকার. Show all posts
Showing posts with label হ্যাকার. Show all posts

Monday, May 16, 2016

hacking


"who are hacker" "what is hacking" "www.mahedi.info"

হ্যাকার যারা :

হ্যাকার হচ্ছেন একজন ব্যাক্তি যিনি শুধুমাত্র বিভিন্ন মাধ্যম/সিস্টেম এর খুত খুজে বের করে। কিন্তু তিনি এর ক্ষতিসাধন করেন না। একজন হ্যাকার মূলত একজন প্রোগ্রামার যার প্রধান কাজ হচ্ছে অনলাইনে কোন সিস্টেমের খারাপ দিকগুলো খুজে বের করা। তারা প্রোগ্রামার এবং তারা প্রোগ্রাম নতুন নতুন খুত বের করতে ব্যবহার করে।
"hacker forum" "www.mahedi.info"

হ্যাকার ফোরাম :

আপনি একজন হ্যাকার হতে হলে প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকার যারা মূলত ইলিট (এ ব্যাপারে আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছে) তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো শিখে নিতে হবে। আর বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে আলোচনা হয় ফোরামে। নিচে হ্যাকারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের লিংক প্রদান করা হল। ফোরামগুলোতে যোগদিন এবং নিয়মিত পোষ্টগুলো পড়ুন। কোন বিষয় জানতে চাইলে সেখানেই সাহায্য চাইতে পারেন।

হ্যাকিং রিসোর্স :

"www.mahedi.info" "hacking resource"
হ্যাকিং করতে হলে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় কোড, স্ক্রিপ্ট, ডর্ক ইত্যাদির। নিচে কিছু লিংক দেয়া হল যেখান থেকে আপনি অনেক মূল্যবান হ্যাকিং রিসোর্স পেতে পারেন যা আপনাকে হ্যাকার হতে সাহায্য করবে।

হ্যাকার মুভি :

"movies for hacker" "movie for hacker" "www.mahedi.info"
শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন চলে এলাম একেবারে বিনোদনে। হ্যা হ্যা। সারাদিন কাজ করলেই কি আর চলে? একটু বিনোদনও তো করা লাগে, নাকি? নিচে কিছু মুভির নাম দেয়া হল যা একজন হ্যাকারের দেখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে এখনই আরম্ভ করে দিন বিনোদন। আর হ্যা কোনটা কেমন লাগলো সে সম্পর্কে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আজ এ পযর্ন্তই।
  • TRON (1982)
  • THE GIRL WITH THE DRAGON TATTOO (2009)
  • WARGAMES (1983)
  • DIE HARD 4:LIVE FREE OR DIE HARD (2007)
  • SNEAKERS (1992)
  • THE MATRIX (1999)
  • EXISTENZ (1999)
  • THE CONVERSATION (1974)
  • THE SCORE (2001)
  • FOOLPROOF (2003)
  • HACKER (1995)
  • ANTITRUST (2001)
  • PIRATES OFSILICONVALLEY(1999)
  • THE LAWNMOWER MAN (1992)
  • THE CORE (2003)
  • VIRTUOSITY (1995)
  • TAKEDOWN (2000)
  • DEJA VU (2006)
  • ONE POINT O (2004)
  • REVOLUTION OS (2001)
  • THE NET (1995)
  • TRON : LEGACY (2010)
  • THE ITALIAN JOB (2003)
  • DISCLOSURE (1994)
  •  
  • JURASSICPARK(1993)
  • SWORDFISH (2001)
  • THE THIRTEENTH FLOOR (1999)
  • UNTRACEABLE (2008)
  • GAMER (2009)


Friday, May 13, 2016

“”.. বিশ্বের সেরা ৫টি হ্যাকিংয়ের ঘটনা..”” জেনে নিন


 আজ আমি টিউন করছি এ যাবতকালের সেরা ৫টি হ্যাকিংয়ের ঘটনা নিয়ে। সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে হ্যাকারেরা। এদের কেউ দলগতভাবে হ্যাক করে আবার কেউ একাই হ্যাক করে থাকে। এদের হ্যাকিংয়ের তালিকায় রয়েছে বড় বড় কোম্পানীর ওয়েবসাইট, ব্যাংকের সাইট, ক্রেডিট কার্ড, বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ইত্যাদি।
সাল অনুসারে এই ঘটনাগুলো দেওয়া হলোঃ –

১৯৯০ সালঃ কেভিন মিনিক ( Kevin Mitnick ) কে বলা হয়ে থাকে ‘ Father of all Hackers ’।
১৯৯০ সালের শুরুর দিকে তিনি বিশ্বের বড় বড় টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানীগুলোর সিস্টেম হ্যাক করেন। Nokia, Motorola, Fujitsu ও Sun Microsystems এর মত বড় কোম্পানীগুলো এ হ্যাকিংয়ের শিকার হয়। সবাই তার হ্যাকিং দক্ষতা দেখে অবাক হয়ে যায়।
কিন্তু পরে FBI তাকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনিই হচ্ছেন বিশ্বের প্রথম হ্যাকার যাকে হ্যাকিং আইনের আওতায় বিচার করা হয়।
ক্ষতিপূরন হিসেবে তাকে সকল সিস্টেম ঠিক করে দিতে বলা হয়।
১৯৯৩ সালঃ এই ঘটনায় জড়িত ছিলো ‘ Masters of Deception’ নামের একটি হ্যাকিং টিম। সকল টেলিফোন সিস্টেম তাদের টার্গেট ছিলো।
হ্যাকারেরা Bank of America ও National Security Agency এর টেলিফোন সিস্টেম হ্যাক করে সম্পুর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।
টেলিফোন অপারেটর কোম্পানী AT& T এ হ্যাকিংয়ের শিকার হয়।
১৯৯৬ সালঃ ১৯৯৬ সালে হ্যাকিংয়ের শিকার হয় ওমেগা ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেম, যা নাসা ও আমেরিকার নৌবাহিনীর গুরুত্তপূর্ণ অংশ ছিলো। একজন আমেরিকান হ্যাকার ওমেগা সিস্টেমে ‘লজিক বোমা ’ স্থাপন করে যার ফলে সকল ডাটাবেস ডিলিট হয়ে যায় এবং অপারেটিং সিস্টেম মুছে যায়।
এতে ওমেগা সিস্টেমের প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়।
১৯৯৯ সালঃ Melissa Virus দিয়ে ১৯৯৯ সালে ব্যাপক ক্ষতি করা হয়। Smith নামক একজন হ্যাকার এই ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়। অনেকগুলো দেশে এই ভয়াবহ ভাইরাস ছড়িয়ে পরে। এতে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে আর এটি অপারেটিং সিস্টেমসহ সকল ডাটা ডিলিট করে দেয়। পরে এই হ্যাকারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে শাস্তি হিসেবে ২০ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়।
২০০০ সালঃ ‘মাফিয়া বয়’ নামে পরিচিত এক হ্যাকার ২০০০ সালে এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটায়। তার আসল পরিচয় জানা যায়নি। তবে সে Yahoo !,eBay ,Amazon সহ বেশ কিছু বড় বড় সাইট হ্যাক করে। ৭২টি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রনে নেয় যার সবকটি ছিলো বড় বড় কোম্পানীর দখলে। পরে তাকে এফবিআই গ্রেপ্তার করে।